০১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

যশোরের আরএন রোডে পালিত মা হত্যা: পালিত ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৫৩

যশোরের আরএন রোডের সুলতানা খালেদা সিদ্দিকা হত্যা মামলায় তার পালিত ছেলে শেখ শামস বিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম মামলাটির তদন্ত শেষে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযুক্ত শামস বিন হলেন আরএন রোডের মৃত শেখ শাহাজাহান রহমানের পালিত পুত্র।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নিঃসন্তান শেখ শাহাজাহান রহমান তিন মাস বয়সী শামস বিনকে দত্তক নিয়েছিলেন। শাহাজাহান মারা যাওয়ার পর শামস তার পালিত মা সুলতানা খালেদা সিদ্দিকার সঙ্গে ফলপট্টির বাড়িতে থাকতেন। তবে, নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর শামস মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন শুরু করেন।
চলতি বছরের ২৪ মে শামস তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে মা সুলতানা খালেদা সিদ্দিকাকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে সুলতানা খালেদা সিদ্দিকার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং শামস বিনকে আটক করে। নিহত খালেদার ভাতিজা জুবায়ের তানভীর সিদ্দিকী জয় বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম তদন্ত শেষে নিশ্চিত হন যে শেখ শামস বিন সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। তাই তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং চার্জশিটে তাকে আটক দেখানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে নুরুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বাগআঁচড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

যশোরের আরএন রোডে পালিত মা হত্যা: পালিত ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল

আপডেট: ০৭:৩৭:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

যশোরের আরএন রোডের সুলতানা খালেদা সিদ্দিকা হত্যা মামলায় তার পালিত ছেলে শেখ শামস বিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম মামলাটির তদন্ত শেষে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযুক্ত শামস বিন হলেন আরএন রোডের মৃত শেখ শাহাজাহান রহমানের পালিত পুত্র।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, নিঃসন্তান শেখ শাহাজাহান রহমান তিন মাস বয়সী শামস বিনকে দত্তক নিয়েছিলেন। শাহাজাহান মারা যাওয়ার পর শামস তার পালিত মা সুলতানা খালেদা সিদ্দিকার সঙ্গে ফলপট্টির বাড়িতে থাকতেন। তবে, নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর শামস মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন এবং উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন শুরু করেন।
চলতি বছরের ২৪ মে শামস তার মায়ের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে মা সুলতানা খালেদা সিদ্দিকাকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করেন। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে সুলতানা খালেদা সিদ্দিকার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে এবং শামস বিনকে আটক করে। নিহত খালেদার ভাতিজা জুবায়ের তানভীর সিদ্দিকী জয় বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহাঙ্গীর আলম তদন্ত শেষে নিশ্চিত হন যে শেখ শামস বিন সরাসরি এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত। তাই তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে এবং চার্জশিটে তাকে আটক দেখানো হয়েছে।