০৭:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন না করার আহ্বান ভারতীয় রাজ্যসভার এমপি সঞ্জয় কুমার ঝার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৮

বাংলাদেশের সঙ্গে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন না করার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের রাজ্যসভার সদস্য (এমপি) সঞ্জয় কুমার ঝা। আগামী ১২ ডিসেম্বর চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিহারের পানির নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি এ দাবি জানান।

ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় এক বিশেষ আলোচনায় সঞ্জয় কুমার ঝা বলেন, প্রায় তিন দশক আগে সম্পাদিত এ চুক্তির কারণে বিহারের কৃষি, সেচ ব্যবস্থা এবং সুপেয় পানির সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে যখন বিহারে পানির সংকট দেখা দেয়, তখন গঙ্গার পানি বাংলাদেশে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষার উদ্দেশ্যে নির্মিত ফারাক্কা ব্যারাজের প্রভাব বিহারের ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের ওপরও পড়েছে। এ কারণে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষে এটি আর নবায়ন না করার আহ্বান জানান তিনি।

সঞ্জয় কুমার ঝা জানান, বিহার সরকারের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে রাজ্যটির জন্য অতিরিক্ত প্রায় ২ হাজার কিউসেক পানির প্রয়োজন হবে। তাই বিহারের দীর্ঘমেয়াদি পানির নিরাপত্তা ও মানুষের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের আগে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।

সর্বাধিক পঠিত

ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর ‘ রিপন মিয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন না করার আহ্বান ভারতীয় রাজ্যসভার এমপি সঞ্জয় কুমার ঝার

আপডেট: ০৫:৪৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের সঙ্গে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়ন না করার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের রাজ্যসভার সদস্য (এমপি) সঞ্জয় কুমার ঝা। আগামী ১২ ডিসেম্বর চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে বিহারের পানির নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি এ দাবি জানান।

ভারতের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় এক বিশেষ আলোচনায় সঞ্জয় কুমার ঝা বলেন, প্রায় তিন দশক আগে সম্পাদিত এ চুক্তির কারণে বিহারের কৃষি, সেচ ব্যবস্থা এবং সুপেয় পানির সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, শুষ্ক মৌসুমে যখন বিহারে পানির সংকট দেখা দেয়, তখন গঙ্গার পানি বাংলাদেশে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষার উদ্দেশ্যে নির্মিত ফারাক্কা ব্যারাজের প্রভাব বিহারের ভূগর্ভস্থ পানির স্তরের ওপরও পড়েছে। এ কারণে বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষে এটি আর নবায়ন না করার আহ্বান জানান তিনি।

সঞ্জয় কুমার ঝা জানান, বিহার সরকারের পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে রাজ্যটির জন্য অতিরিক্ত প্রায় ২ হাজার কিউসেক পানির প্রয়োজন হবে। তাই বিহারের দীর্ঘমেয়াদি পানির নিরাপত্তা ও মানুষের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তি নবায়নের আগে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর শেষ হওয়ার কথা।

সূত্র: দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।