১০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, হাতেনাতে ধরা পড়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৫

যশোরে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করতে গিয়ে হাসান মুন্সী নামে এক ব্যক্তি হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। রোববার সকালে শহরতলীর পুলেরহাট এলাকায় একটি কাপড়ের দোকান থেকে ২০ হাজার টাকার থ্রিপিস নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সন্দেহে তিনি আটক হন।
আটক হাসান মুন্সী নড়াইল শহরের মাদ্রাসা রোড এলাকার আব্দুল হাই মুন্সীর ছেলে।
কোতোয়ালি থানা পুলিশের এসআই অমৃত লাল দে জানান, হাসান মুন্সী একটি ওয়াকিটকি সদৃশ বস্তু সঙ্গে নিয়ে দোকানে গিয়ে নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি পুলেরহাটের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কর্মরত বলে দাবি করে দোকান থেকে থ্রিপিস নেন এবং পরে টাকা এনে দেওয়ার কথা বলে সেখান থেকে সরে পড়ার চেষ্টা করেন।

এ সময় দোকানির সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে তিনি প্রকৃতপক্ষে পুলিশ সদস্য নন। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

বিকালে তাকে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম হোসাইনের কার্যালয়ে হাজির করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতের রায়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব: বাস ও লঞ্চ ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব

যশোরে পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার চেষ্টা, হাতেনাতে ধরা পড়ে ৭ দিনের কারাদণ্ড

আপডেট: ০৮:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে পুলিশ সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করতে গিয়ে হাসান মুন্সী নামে এক ব্যক্তি হাতেনাতে ধরা পড়েছেন। রোববার সকালে শহরতলীর পুলেরহাট এলাকায় একটি কাপড়ের দোকান থেকে ২০ হাজার টাকার থ্রিপিস নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়দের সন্দেহে তিনি আটক হন।
আটক হাসান মুন্সী নড়াইল শহরের মাদ্রাসা রোড এলাকার আব্দুল হাই মুন্সীর ছেলে।
কোতোয়ালি থানা পুলিশের এসআই অমৃত লাল দে জানান, হাসান মুন্সী একটি ওয়াকিটকি সদৃশ বস্তু সঙ্গে নিয়ে দোকানে গিয়ে নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি পুলেরহাটের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে কর্মরত বলে দাবি করে দোকান থেকে থ্রিপিস নেন এবং পরে টাকা এনে দেওয়ার কথা বলে সেখান থেকে সরে পড়ার চেষ্টা করেন।

এ সময় দোকানির সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে তিনি প্রকৃতপক্ষে পুলিশ সদস্য নন। পরে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

বিকালে তাকে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম হোসাইনের কার্যালয়ে হাজির করা হলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতের রায়ের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।