০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

এক মাসে দুই দফা বৃদ্ধি: আবারও বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৯৪০ টা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৩৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৪২

দেশের বাজারে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয়বারের মতো মূল্যবৃদ্ধি, যা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দর কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।
বিইআরসির নতুন নির্ধারণ অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ, প্রতি সিলিন্ডারে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ২১২ টাকা ব্যয় করতে হবে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই এলপিজির দাম প্রতি কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। ফলে এপ্রিল মাসেই দুই দফায় উল্লেখযোগ্য হারে দাম বাড়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয়ের চাপের কারণেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তবে ঘন ঘন দাম বাড়ানোর কারণে ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

কেশবপুরে ইউএনওর নাম ভাঙিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবির অভিযোগ

এক মাসে দুই দফা বৃদ্ধি: আবারও বাড়লো এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১,৯৪০ টা

আপডেট: ০৪:৩৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশের বাজারে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি)-এর দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে এটি দ্বিতীয়বারের মতো মূল্যবৃদ্ধি, যা সাধারণ ভোক্তাদের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ ১৯ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে নতুন দর কার্যকরের ঘোষণা দিয়েছে।
বিইআরসির নতুন নির্ধারণ অনুযায়ী, ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে দেশের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ, প্রতি সিলিন্ডারে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ২১২ টাকা ব্যয় করতে হবে।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই এলপিজির দাম প্রতি কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। ফলে এপ্রিল মাসেই দুই দফায় উল্লেখযোগ্য হারে দাম বাড়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর চাপ আরও বেড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয়ের চাপের কারণেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। তবে ঘন ঘন দাম বাড়ানোর কারণে ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।