০১:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সুচির বিচার ও মিয়ানমার পরিস্থিতি: আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:২৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী নেত্রী অং সান সুচি বর্তমানে দেশটির জান্তা সরকারের কারাগারে বন্দি। একসময় জাতিসংঘের অনুসন্ধান দলের প্রতিবেদন এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার দায়ের করা রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। গাম্বিয়ার অভিযোগকে সে সময় তিনি ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেন।
২০২১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সুচি ও তার নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী। বর্তমানে সামরিক আদালতে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে বিচার চলছে। এদিকে, মিয়ানমারে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো একে ‘প্রহসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটিতে কোনোভাবেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
সুচির এই বিচার প্রক্রিয়ার প্রভাব কেবল মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর ঢেউ আছড়ে পড়ছে আন্তর্জাতিক বিচার অঙ্গনেও। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিচারের ফলাফল এবং মিয়ানমারের আইনি অবস্থান ভবিষ্যতে গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যার মামলার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আইসিজে-তে ‘গণহত্যা’ সংক্রান্ত আইনি ব্যাখ্যা ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রশ্নে এটি একটি বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা ‘পরিকল্পিত’: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

সুচির বিচার ও মিয়ানমার পরিস্থিতি: আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত

আপডেট: ০২:২৬:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী নেত্রী অং সান সুচি বর্তমানে দেশটির জান্তা সরকারের কারাগারে বন্দি। একসময় জাতিসংঘের অনুসন্ধান দলের প্রতিবেদন এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়ার দায়ের করা রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন তিনি। গাম্বিয়ার অভিযোগকে সে সময় তিনি ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেন।
২০২১ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সুচি ও তার নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশটির সেনাবাহিনী। বর্তমানে সামরিক আদালতে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগে বিচার চলছে। এদিকে, মিয়ানমারে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো একে ‘প্রহসন’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটিতে কোনোভাবেই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
সুচির এই বিচার প্রক্রিয়ার প্রভাব কেবল মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এর ঢেউ আছড়ে পড়ছে আন্তর্জাতিক বিচার অঙ্গনেও। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিচারের ফলাফল এবং মিয়ানমারের আইনি অবস্থান ভবিষ্যতে গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষিতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা গণহত্যার মামলার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে আইসিজে-তে ‘গণহত্যা’ সংক্রান্ত আইনি ব্যাখ্যা ও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রশ্নে এটি একটি বড় উদাহরণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।