০২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে যোগী গ্রামের মাঠপাড়ায় শহিদুল ইসলাম মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিত হত্যার প্রমাণ না পাওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬৬

যশোর সদর উপজেলার যোগী গ্রামের মাঠপাড়ায় শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় অপর দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত শেষে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন। চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন—যোগী গ্রামের মাঠপাড়ার নূর ইসলামের দুই ছেলে একলাস হোসেন ও রাসেল। অপরদিকে, বিল্লাল ও আলিম নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৮ মার্চ সকালে শহিদুল ইসলাম যোগী গ্রামের তেঁতুলবাড়িয়া মাঠে নিজের সবজি ক্ষেতে কাজ করছিলেন। এ সময় পাশের জমির মালিক একলাস হোসেন তার সবজি ক্ষেতের ভেতর দিয়ে ড্রেন কেটে নিজের জমিতে পানি নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হলে শহিদুল ইসলাম এতে বাধা দেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। ধাক্কা খেয়ে শহিদুল ইসলাম মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় নিহত শহিদুল ইসলামের ছেলে আহাদ হোসেন বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তে উঠে আসে, ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাওয়ার ফলেই শহিদুল ইসলামের মৃত্যু হয়, যা একটি ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সার্বিক তদন্ত শেষে পুলিশ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় (অপরাধজনক নরহত্যা, যা খুনের শামিল নয়) একলাস হোসেন ও রাসেলকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেছে। অভিযুক্ত দুই ভাইকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা ‘পরিকল্পিত’: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

যশোরে যোগী গ্রামের মাঠপাড়ায় শহিদুল ইসলাম মৃত্যুর ঘটনায় পরিকল্পিত হত্যার প্রমাণ না পাওয়ায় দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ

আপডেট: ০৬:৫৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার যোগী গ্রামের মাঠপাড়ায় শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দিয়ে মৃত্যুর ঘটনায় দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় অপর দুই আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।
মামলার তদন্ত শেষে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন। চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন—যোগী গ্রামের মাঠপাড়ার নূর ইসলামের দুই ছেলে একলাস হোসেন ও রাসেল। অপরদিকে, বিল্লাল ও আলিম নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও তদন্ত সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৮ মার্চ সকালে শহিদুল ইসলাম যোগী গ্রামের তেঁতুলবাড়িয়া মাঠে নিজের সবজি ক্ষেতে কাজ করছিলেন। এ সময় পাশের জমির মালিক একলাস হোসেন তার সবজি ক্ষেতের ভেতর দিয়ে ড্রেন কেটে নিজের জমিতে পানি নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে সবজি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হলে শহিদুল ইসলাম এতে বাধা দেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। ধাক্কা খেয়ে শহিদুল ইসলাম মাটিতে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় নিহত শহিদুল ইসলামের ছেলে আহাদ হোসেন বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তে উঠে আসে, ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাওয়ার ফলেই শহিদুল ইসলামের মৃত্যু হয়, যা একটি ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সার্বিক তদন্ত শেষে পুলিশ দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় (অপরাধজনক নরহত্যা, যা খুনের শামিল নয়) একলাস হোসেন ও রাসেলকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেছে। অভিযুক্ত দুই ভাইকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।