১১:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সাজিদ নিখোঁজ: ৪২ ফুট খননেও খোঁজ মেলেনি, অভিযান চলবেই

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫১

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের (ডিপ টিউবওয়েল) বোরিং পাইপে পড়ে নিখোঁজ হওয়া তিন বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে চালানো তৎপরতা ৪২ ফুট খননের পরও ব্যর্থ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত টানা খনন শেষে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সাময়িকভাবে ওপরে উঠে আসেন।
৪৬ ঘণ্টা পর ব্যর্থ প্রাথমিক চেষ্টা
বুধবার তানোর উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য খনন করা প্রায় ৮ ফুট গভীর ও অত্যন্ত সরু একটি গর্তে পড়ে যায় শিশু সাজিদ। ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিস দিনরাত কাজ করেছে। মূল বোরিং পাইপের পাশে একটি বড় গর্ত খনন করা হয় এবং সেটিকে মূল পাইপের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এত চেষ্টার পরও শিশুটির কোনো খোঁজ মেলেনি। দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ৪২ ফুট খনন সম্পন্ন করার পর উদ্ধারকারীরা ওপরে
উদ্ধার অভিযানের পরিচালক, ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ৪২ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশু সাজিদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে অভিযান বন্ধ হচ্ছে না।
এক প্রশ্নের উত্তরে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন:
> “হ্যাঁ, উদ্ধার অভিযান চলবে। শিশুটি যদি ১০০ ফুট নিচেও থাকে, আমাদের সেই জায়গা পর্যন্ত খনন করতে হবে। থেমে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”
> তিনি আরও যোগ করেন, “সাজিদকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত আমরা থামব না। সক্ষমতা এখানে কোনো বাধা নয়।”
>
বর্তমানে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে তিনি জানান
স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়, তানোর উপজেলার পচন্দর ইউনিয়নে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় এখানে নতুন করে গভীর নলকূপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা আব্দুল কছির উদ্দিন কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে নিজের জমিতে পানির স্তর পরীক্ষা করার জন্য এই গর্তটি খনন করেছিলেন। তিনি গর্তটি মাটি দিয়ে ভরাট করলেও, বর্ষাকালে মাটি বসে গিয়ে সেখানে আবারও একটি গভীর গর্ত তৈরি হয়। সেখানেই অসাবধানতাবশত পড়ে যায় শিশু সাজিদ।
এদিকে, এলাকাবাসীরা শিশুটিকে জীবিত অথবা মৃত যেভাবেই হোক খুঁজে পাওয়ার জন্য উদ্ধাকারীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং উদ্ধার তৎপরতায় সহযোগিতা করছেন।

সর্বাধিক পঠিত

মন্দিরে নামযজ্ঞ চলাকালে মনিরামপুরে যুবককে কুপিয়ে জখম

সাজিদ নিখোঁজ: ৪২ ফুট খননেও খোঁজ মেলেনি, অভিযান চলবেই

আপডেট: ০৫:০৮:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের (ডিপ টিউবওয়েল) বোরিং পাইপে পড়ে নিখোঁজ হওয়া তিন বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে চালানো তৎপরতা ৪২ ফুট খননের পরও ব্যর্থ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত টানা খনন শেষে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা সাময়িকভাবে ওপরে উঠে আসেন।
৪৬ ঘণ্টা পর ব্যর্থ প্রাথমিক চেষ্টা
বুধবার তানোর উপজেলার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য খনন করা প্রায় ৮ ফুট গভীর ও অত্যন্ত সরু একটি গর্তে পড়ে যায় শিশু সাজিদ। ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।
শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য ফায়ার সার্ভিস দিনরাত কাজ করেছে। মূল বোরিং পাইপের পাশে একটি বড় গর্ত খনন করা হয় এবং সেটিকে মূল পাইপের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু এত চেষ্টার পরও শিশুটির কোনো খোঁজ মেলেনি। দুপুর ১টা ২০ মিনিটে ৪২ ফুট খনন সম্পন্ন করার পর উদ্ধারকারীরা ওপরে
উদ্ধার অভিযানের পরিচালক, ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ৪২ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশু সাজিদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে অভিযান বন্ধ হচ্ছে না।
এক প্রশ্নের উত্তরে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন:
> “হ্যাঁ, উদ্ধার অভিযান চলবে। শিশুটি যদি ১০০ ফুট নিচেও থাকে, আমাদের সেই জায়গা পর্যন্ত খনন করতে হবে। থেমে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।”
> তিনি আরও যোগ করেন, “সাজিদকে উদ্ধার না করা পর্যন্ত আমরা থামব না। সক্ষমতা এখানে কোনো বাধা নয়।”
>
বর্তমানে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে তিনি জানান
স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে জানা যায়, তানোর উপজেলার পচন্দর ইউনিয়নে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে যাওয়ায় এখানে নতুন করে গভীর নলকূপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
নিখোঁজ শিশুটির বাবা আব্দুল কছির উদ্দিন কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে নিজের জমিতে পানির স্তর পরীক্ষা করার জন্য এই গর্তটি খনন করেছিলেন। তিনি গর্তটি মাটি দিয়ে ভরাট করলেও, বর্ষাকালে মাটি বসে গিয়ে সেখানে আবারও একটি গভীর গর্ত তৈরি হয়। সেখানেই অসাবধানতাবশত পড়ে যায় শিশু সাজিদ।
এদিকে, এলাকাবাসীরা শিশুটিকে জীবিত অথবা মৃত যেভাবেই হোক খুঁজে পাওয়ার জন্য উদ্ধাকারীদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এবং উদ্ধার তৎপরতায় সহযোগিতা করছেন।