: সাভার, ধামরাই ও রাজধানী ঢাকায় বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিব মহাসিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘ ১১ বছরে অবৈধ উপার্জনের মাধ্যমে তিনি নামে-বেনামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এসব সম্পদের উৎস ও আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
প্রাপ্ত অভিযোগে বলা হয়েছে, সাভারের বীরুলিয়া ইউনিয়নে দায়িত্ব পালনকালে মহাসিনের বিরুদ্ধে টেন্ডারবাজি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। পরে তাঁকে ধামরাই উপজেলার চৌহাট ইউনিয়নে বদলি করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বদলির পরও তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ অব্যাহত থাকার দাবি করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সাভার, ধামরাই ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তিনি নামে-বেনামে সম্পদ গড়ে তুলেছেন। অনুসন্ধানে এসব সম্পদের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
সাভারে ৯ তলা ভবন: অভিযোগ অনুযায়ী, সাভারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় মহাসিনের মালিকানায় একটি নয়তলা ভবন রয়েছে।
উত্তরখানে তিনতলা বাড়ি: রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান এলাকায় তাঁর একটি তিনতলা বাড়ি রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
কল্যাণপুরে একাধিক ফ্ল্যাট: রাজধানীর কল্যাণপুরে তাঁর একাধিক দামি ফ্ল্যাট থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ধামরাইয়ে জমি ও ব্যবসায় বিনিয়োগ: ধামরাইয়ে ১৩ শতক জমি কেনার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসায় নামে-বেনামে অর্থ বিনিয়োগের অভিযোগও রয়েছে।
একজন সরকারি কর্মচারীর আয়ের সঙ্গে কথিত সম্পদের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সম্পদের উৎস, ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেন তদন্ত করা প্রয়োজন।
এলাকাবাসীর দাবি, অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন তাঁরা।
মহাসিনের কথিত ব্যাংক হিসাব, বেনামে থাকা সম্পদ এবং অর্থের উৎস নিয়ে আরও তথ্য প্রকাশের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য, সম্পদের মালিকানা-সংক্রান্ত নথি এবং কোনো সরকারি তদন্তের ফলাফল স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।





















