ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের ৯৭টি অবস্থান লক্ষ্য করে ‘নির্ভুল হামলা’ চালানোর দাবি করেছে সরকারপন্থি ইয়েমেনি বাহিনী। তাদের দাবি, লাহিজ ও তাইজ প্রদেশের আল-তাওয়াহি ফ্রন্টে এসব হামলা চালানো হয়।
ইয়েমেনি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ আবদুল্লাহ আল-নুজাইলি জানান, অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, এসব হামলায় ২৬০ জন হুতি সদস্য ‘নিষ্ক্রিয়’ হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি সামরিক যান এবং পরিবহন ও সরবরাহে ব্যবহৃত যান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে আল-নুজাইলি আরও ২৫৭টি হামলার দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সানা, মিদি, বাকিম, আল-জাওফ, মারিব, আল-বাইদা, লাহিজ ও তাইজ এলাকায় বিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট দিয়ে এসব হামলা চালানো হয়।
এসব অভিযানে অন্তত ৭০০ হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে হতাহতের সংখ্যা কিংবা হামলার প্রকৃত মাত্রা সম্পর্কে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইয়েমেনে সরকারপন্থি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুতিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। রাজধানী সানাসহ দেশের বিস্তীর্ণ এলাকা হুতিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার ও তাদের মিত্ররা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।
মারিব, তাইজ ও লাহিজসহ বিভিন্ন এলাকায় সময়ে সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই হয়েছে। আঞ্চলিক শক্তিগুলোর সম্পৃক্ততাও এই সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোর বিষয়ে পক্ষগুলোর পরস্পরবিরোধী দাবি সামনে এলেও মাঠপর্যায়ের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতির কারণে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।





















