০৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১৭ কোটি টাকার লিফট কেনা হচ্ছে ৪৯ কোটিতে!

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৬

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) মোহাম্মদপুরের ‘দোলনচাঁপা-কনকচাঁপা’ আবাসন প্রকল্পে লিফটসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল সরঞ্জাম কেনাকাটায় অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। ৪৩০টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন এ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যে ১৯টি লিফট কেনার জন্য মূল প্রস্তাবে ১৭ কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও প্রথম সংশোধনীতে তা বাড়িয়ে ৪৮ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ শুধু লিফট কেনার ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩১ কোটি ৭৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

অভিযোগ রয়েছে, শুধু লিফট নয়—জেনারেটর, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন, পাম্প-মোটর, অগ্নিনিরোধক ব্যবস্থা ও ফোর্স ভেন্টিলেশনসহ একাধিক খাতেও মূল প্রস্তাবের তুলনায় ব্যয় বাড়ানো হয়েছে।

‘দোলনচাঁপা-কনকচাঁপা’ প্রকল্পটির মূল প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৪৬৯ কোটি ১৯ লাখ ১১ হাজার টাকা। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত প্রথম সংশোধনীতে প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৪১ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

অর্থাৎ সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৭২ কোটি ৩ লাখ টাকা, যা মূল ব্যয়ের প্রায় ১৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

প্রকল্পের মোট ব্যয় বৃদ্ধির বড় একটি অংশই ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল সরঞ্জাম কেনাকাটার খাতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।

প্রকল্পের ৪৩০টি ফ্ল্যাটের জন্য মূল প্রস্তাবে ১৯টি লিফট কেনার ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭ কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

প্রথম সংশোধনীতে একই সংখ্যক লিফটের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

ফলে ১৯টি লিফটের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৭৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ সংশোধিত বরাদ্দ মূল বরাদ্দের প্রায় তিন গুণ।

বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন খাতেও ব্যয়ের পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মূল প্রস্তাবে ১০টি সাবস্টেশনের জন্য ৬ কোটি ১০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল।

প্রথম সংশোধনীতে সাবস্টেশনের সংখ্যা ১০টি থেকে কমিয়ে ৮টি করা হলেও ব্যয় বাড়িয়ে ৮ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ দুটি সাবস্টেশন কমার পরও এ খাতে ব্যয় বেড়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ১৭ হাজার টাকা।

জেনারেটরের ক্ষেত্রেও একই ধরনের চিত্র পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে। মূল প্রস্তাবে ১০টি জেনারেটরের জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৯১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

সংশোধনীতে জেনারেটরের সংখ্যা কমিয়ে ৮টি করা হয়েছে। কিন্তু ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

ফলে দুটি জেনারেটর কমলেও এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

বৈদ্যুতিক পাম্প-মোটরের প্রতিটি সেটের দাম মূল প্রস্তাবে ধরা হয়েছিল ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সংশোধনীতে তা বাড়িয়ে প্রতি সেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

এর ফলে এ খাতেও অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৬৬ লাখ ২১ হাজার টাকা।

নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্নিনিরোধক ব্যবস্থাপনা খাতেও ব্যয়ের বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

মূল প্রস্তাবে এ খাতে ৬ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। সংশোধনীতে জবের সংখ্যা ১০টি থেকে কমিয়ে ২টি করা হলেও ব্যয় বাড়িয়ে ৯ কোটি ৮২ লাখ ১৭ হাজার টাকা করা হয়েছে।

অর্থাৎ কাজের সংখ্যা কমার পরও এ খাতে ব্যয় বেড়েছে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

ফোর্স ভেন্টিলেশন খাতেও ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মূল প্রস্তাবে এ খাতে ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সংশোধনীতে তা বাড়িয়ে ১ কোটি ৯৩ লাখ ৯ হাজার টাকা করা হয়েছে।

ফলে এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় বেড়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৯ হাজার টাকা।

জাগৃকের কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিরাজ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সংস্থাটির বিভিন্ন প্রকল্পের সরঞ্জাম কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত।

তাদের দাবি, গত প্রায় দেড় যুগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৩০টি প্রকল্পের ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল বিভাগের কেনাকাটায় তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। এসব প্রকল্পে ডিপিপিতে নির্ধারিত অর্থের তুলনায় বেশি ব্যয় দেখানোর অভিযোগও করেছেন তারা।

কর্মকর্তাদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, অতিরিক্ত অর্থের একটি অংশ ঠিকাদারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জাগৃকের কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন প্রকল্পে লিফট কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

তাদের দাবি, মিরপুরের ‘স্বপ্ননগর-২’ আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অর্থে প্রকৌশলী মিরাজ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিদেশ সফর করেছেন।

এ ছাড়া লালমাটিয়ার ৮৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট ও কর্মচারীদের জন্য ৫৪টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অর্থে কয়েকজন কর্মকর্তা সুইজারল্যান্ড সফর করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

রেলের মেগা প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, নজরে পরিচালক আল ফাত্তাহ

১৭ কোটি টাকার লিফট কেনা হচ্ছে ৪৯ কোটিতে!

আপডেট: ০৩:২৪:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) মোহাম্মদপুরের ‘দোলনচাঁপা-কনকচাঁপা’ আবাসন প্রকল্পে লিফটসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল সরঞ্জাম কেনাকাটায় অনুমোদিত ব্যয়ের তুলনায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। ৪৩০টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন এ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যে ১৯টি লিফট কেনার জন্য মূল প্রস্তাবে ১৭ কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও প্রথম সংশোধনীতে তা বাড়িয়ে ৪৮ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ শুধু লিফট কেনার ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩১ কোটি ৭৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা।

অভিযোগ রয়েছে, শুধু লিফট নয়—জেনারেটর, বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন, পাম্প-মোটর, অগ্নিনিরোধক ব্যবস্থা ও ফোর্স ভেন্টিলেশনসহ একাধিক খাতেও মূল প্রস্তাবের তুলনায় ব্যয় বাড়ানো হয়েছে।

‘দোলনচাঁপা-কনকচাঁপা’ প্রকল্পটির মূল প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৪৬৯ কোটি ১৯ লাখ ১১ হাজার টাকা। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত প্রথম সংশোধনীতে প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৪১ কোটি ২১ লাখ ৮২ হাজার টাকা।

অর্থাৎ সংশোধনীতে প্রকল্পের ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৭২ কোটি ৩ লাখ টাকা, যা মূল ব্যয়ের প্রায় ১৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

প্রকল্পের মোট ব্যয় বৃদ্ধির বড় একটি অংশই ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল সরঞ্জাম কেনাকাটার খাতে হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।

প্রকল্পের ৪৩০টি ফ্ল্যাটের জন্য মূল প্রস্তাবে ১৯টি লিফট কেনার ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭ কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

প্রথম সংশোধনীতে একই সংখ্যক লিফটের জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

ফলে ১৯টি লিফটের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩১ কোটি ৭৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ সংশোধিত বরাদ্দ মূল বরাদ্দের প্রায় তিন গুণ।

বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন খাতেও ব্যয়ের পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মূল প্রস্তাবে ১০টি সাবস্টেশনের জন্য ৬ কোটি ১০ লাখ ৯৪ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল।

প্রথম সংশোধনীতে সাবস্টেশনের সংখ্যা ১০টি থেকে কমিয়ে ৮টি করা হলেও ব্যয় বাড়িয়ে ৮ কোটি ৩৯ লাখ ১১ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অর্থাৎ দুটি সাবস্টেশন কমার পরও এ খাতে ব্যয় বেড়েছে ২ কোটি ২৮ লাখ ১৭ হাজার টাকা।

জেনারেটরের ক্ষেত্রেও একই ধরনের চিত্র পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে। মূল প্রস্তাবে ১০টি জেনারেটরের জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৯১ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

সংশোধনীতে জেনারেটরের সংখ্যা কমিয়ে ৮টি করা হয়েছে। কিন্তু ব্যয় বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪ কোটি ৭৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকা।

ফলে দুটি জেনারেটর কমলেও এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

বৈদ্যুতিক পাম্প-মোটরের প্রতিটি সেটের দাম মূল প্রস্তাবে ধরা হয়েছিল ৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা। সংশোধনীতে তা বাড়িয়ে প্রতি সেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।

এর ফলে এ খাতেও অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৬৬ লাখ ২১ হাজার টাকা।

নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্নিনিরোধক ব্যবস্থাপনা খাতেও ব্যয়ের বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

মূল প্রস্তাবে এ খাতে ৬ কোটি ৫০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। সংশোধনীতে জবের সংখ্যা ১০টি থেকে কমিয়ে ২টি করা হলেও ব্যয় বাড়িয়ে ৯ কোটি ৮২ লাখ ১৭ হাজার টাকা করা হয়েছে।

অর্থাৎ কাজের সংখ্যা কমার পরও এ খাতে ব্যয় বেড়েছে ৩ কোটি ৩১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।

ফোর্স ভেন্টিলেশন খাতেও ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মূল প্রস্তাবে এ খাতে ৪৮ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও সংশোধনীতে তা বাড়িয়ে ১ কোটি ৯৩ লাখ ৯ হাজার টাকা করা হয়েছে।

ফলে এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় বেড়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৯ হাজার টাকা।

জাগৃকের কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মিরাজ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সংস্থাটির বিভিন্ন প্রকল্পের সরঞ্জাম কেনাকাটার সঙ্গে যুক্ত।

তাদের দাবি, গত প্রায় দেড় যুগে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৩০টি প্রকল্পের ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল বিভাগের কেনাকাটায় তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। এসব প্রকল্পে ডিপিপিতে নির্ধারিত অর্থের তুলনায় বেশি ব্যয় দেখানোর অভিযোগও করেছেন তারা।

কর্মকর্তাদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, অতিরিক্ত অর্থের একটি অংশ ঠিকাদারদের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয়। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জাগৃকের কয়েকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, বিভিন্ন প্রকল্পে লিফট কেনাকাটাকে কেন্দ্র করে কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

তাদের দাবি, মিরপুরের ‘স্বপ্ননগর-২’ আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অর্থে প্রকৌশলী মিরাজ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিদেশ সফর করেছেন।

এ ছাড়া লালমাটিয়ার ৮৮টি আবাসিক ফ্ল্যাট ও কর্মচারীদের জন্য ৫৪টি আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অর্থে কয়েকজন কর্মকর্তা সুইজারল্যান্ড সফর করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।