০৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে ফল বিক্রির আড়ালে মাদক কারবারের অভিযোগ,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:২১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯

যশোর শহরের দড়াটানা সিএনজি স্ট্যান্ডসংলগ্ন ভৈরব নদের পাড়ের ফুটপাতে ফল বিক্রির আড়ালে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ উঠেছে রাসেল শেখ নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ওই এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রাসেল শেখ শহরের বেজপাড়া এলাকার নজির শেখের ছেলে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ফল বিক্রির পাশাপাশি রাসেল মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রাসেল শেখের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতাও স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ভৈরব নদের ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া মাদকসেবীরা মাঝেমধ্যে ফুটপাতের ফল বিক্রেতাদের কাছে এসে মাদক কেনার জন্য টাকা দাবি করে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

ঘোপ ৩ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি ও যশোর জেলা সিএনজি-ট্যাক্সি-ম্যাক্সি ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ভৈরব নদের পাড়ে বসে মাদক সেবনের অভিযোগে ফুটপাতের দোকানদারেরা রাসেল শেখকে আটক করেন। পরে তাকে ওই এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়। ভবিষ্যতে তাকে সেখানে আর দোকান করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ফারুক হোসেন বলেন, মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীরা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ প্রশাসনকে জানানোর নির্দেশনা রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভৈরব নদের পাড়ের ফুটপাতে অনেক দরিদ্র ও অসহায় মানুষ মৌসুমি ফল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মানবিক বিবেচনায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁদের ব্যবসার সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কেউ মাদক বিক্রি বা সেবনের সঙ্গে জড়িত হলে পুরো এলাকার পরিবেশ ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।

মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে ভৈরব নদের পাড় ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো, অভিযোগগুলো তদন্ত করা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সর্বাধিক পঠিত

রেলের মেগা প্রকল্পে হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ, নজরে পরিচালক আল ফাত্তাহ

যশোরে ফল বিক্রির আড়ালে মাদক কারবারের অভিযোগ,

আপডেট: ০৩:২১:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোর শহরের দড়াটানা সিএনজি স্ট্যান্ডসংলগ্ন ভৈরব নদের পাড়ের ফুটপাতে ফল বিক্রির আড়ালে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ উঠেছে রাসেল শেখ নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ওই এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রাসেল শেখ শহরের বেজপাড়া এলাকার নজির শেখের ছেলে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ফল বিক্রির পাশাপাশি রাসেল মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে রাসেল শেখের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতাও স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, ভৈরব নদের ব্রিজ ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া মাদকসেবীরা মাঝেমধ্যে ফুটপাতের ফল বিক্রেতাদের কাছে এসে মাদক কেনার জন্য টাকা দাবি করে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

ঘোপ ৩ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সভাপতি ও যশোর জেলা সিএনজি-ট্যাক্সি-ম্যাক্সি ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক হোসেন বলেন, স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে ভৈরব নদের পাড়ে বসে মাদক সেবনের অভিযোগে ফুটপাতের দোকানদারেরা রাসেল শেখকে আটক করেন। পরে তাকে ওই এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়। ভবিষ্যতে তাকে সেখানে আর দোকান করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

ফারুক হোসেন বলেন, মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীরা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ প্রশাসনকে জানানোর নির্দেশনা রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভৈরব নদের পাড়ের ফুটপাতে অনেক দরিদ্র ও অসহায় মানুষ মৌসুমি ফল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। মানবিক বিবেচনায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁদের ব্যবসার সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কেউ মাদক বিক্রি বা সেবনের সঙ্গে জড়িত হলে পুরো এলাকার পরিবেশ ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।

মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে ভৈরব নদের পাড় ও আশপাশের এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো, অভিযোগগুলো তদন্ত করা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।