০৩:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চালকের অনুপস্থিতিতে কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ স্টেশনে ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট আটকে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩২

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে চালকের রহস্যজনক অনুপস্থিতির কারণে খুলনা থেকে রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস (১৬১ আপ) প্রায় ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট স্টেশনে আটকে থাকে। আকস্মিক এ ঘটনায় শতাধিক যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন এবং স্টেশনে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে ট্রেনটি মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে পৌঁছায়। নির্ধারিত বিরতির পর ট্রেন ছাড়ার জন্য সংকেত দেওয়া হলেও ইঞ্জিনে চালককে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি জানতে পেরে রেলকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে চালকের খোঁজ শুরু করেন। পরে জানা যায়, চালক ট্রেন রেখে অন্যত্র চলে গিয়েছিলেন। তবে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন বা কী কারণে দায়িত্বে অনুপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

চালকের অনুপস্থিতিতে ট্রেনটি দীর্ঘ সময় স্টেশনে আটকে থাকায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকেই রেলওয়ের দায়িত্বহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং দ্রুত ট্রেন চালুর দাবি জানান। স্টেশনজুড়ে একপর্যায়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

প্রায় ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট পর সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে চালক মাহবুবুর রহমান স্টেশনে ফিরে আসেন। এরপর তিনি ট্রেনটি রাজশাহীর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কোথায় ছিলেন বা কেন দায়িত্ব পালন না করে ট্রেন ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন—এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

ট্রেনটির গার্ড শফিকুল ইসলাম জানান, ট্রেন ছাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। কিন্তু চালকের অনুপস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি ছেড়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহজাহান আলী বলেন, চালককে খুঁজে না পাওয়ায় ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হয়। পরে তিনি ফিরে এলে ট্রেনটি স্বাভাবিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

এদিকে একই দিনে কুষ্টিয়ার পোড়াদহ জংশনেও নকশীকাঁথা কমিউটার ট্রেনের চালক ট্রেন রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে তিনিও ফিরে এসে ট্রেন পরিচালনা করেন। একই দিনে পৃথক দুটি ঘটনায় চালকদের দায়িত্বে অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও, ঘটনার কারণ সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

সর্বাধিক পঠিত

মাত্র ৫ লাখে অস্ট্রেলিয়া’—সামাজিক মাধ্যমে ভিসার প্রলোভন, প্রতারণার অভিযোগ

চালকের অনুপস্থিতিতে কালীগঞ্জের মোবারকগঞ্জ স্টেশনে ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট আটকে সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস,

আপডেট: ১০:০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে চালকের রহস্যজনক অনুপস্থিতির কারণে খুলনা থেকে রাজশাহীগামী সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস (১৬১ আপ) প্রায় ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট স্টেশনে আটকে থাকে। আকস্মিক এ ঘটনায় শতাধিক যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েন এবং স্টেশনে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৭ মিনিটে ট্রেনটি মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে পৌঁছায়। নির্ধারিত বিরতির পর ট্রেন ছাড়ার জন্য সংকেত দেওয়া হলেও ইঞ্জিনে চালককে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি জানতে পেরে রেলকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে চালকের খোঁজ শুরু করেন। পরে জানা যায়, চালক ট্রেন রেখে অন্যত্র চলে গিয়েছিলেন। তবে তিনি কোথায় গিয়েছিলেন বা কী কারণে দায়িত্বে অনুপস্থিত ছিলেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

চালকের অনুপস্থিতিতে ট্রেনটি দীর্ঘ সময় স্টেশনে আটকে থাকায় যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনেকেই রেলওয়ের দায়িত্বহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং দ্রুত ট্রেন চালুর দাবি জানান। স্টেশনজুড়ে একপর্যায়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

প্রায় ১ ঘণ্টা ৮ মিনিট পর সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে চালক মাহবুবুর রহমান স্টেশনে ফিরে আসেন। এরপর তিনি ট্রেনটি রাজশাহীর উদ্দেশ্যে নিয়ে যাত্রা শুরু করেন। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কোথায় ছিলেন বা কেন দায়িত্ব পালন না করে ট্রেন ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন—এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

ট্রেনটির গার্ড শফিকুল ইসলাম জানান, ট্রেন ছাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল। কিন্তু চালকের অনুপস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি ছেড়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি।

মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহজাহান আলী বলেন, চালককে খুঁজে না পাওয়ায় ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হয়। পরে তিনি ফিরে এলে ট্রেনটি স্বাভাবিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

এদিকে একই দিনে কুষ্টিয়ার পোড়াদহ জংশনেও নকশীকাঁথা কমিউটার ট্রেনের চালক ট্রেন রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে তিনিও ফিরে এসে ট্রেন পরিচালনা করেন। একই দিনে পৃথক দুটি ঘটনায় চালকদের দায়িত্বে অনুপস্থিতির বিষয়টি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হলেও, ঘটনার কারণ সম্পর্কে রেল কর্তৃপক্ষ এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি।

ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।