০১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাঘারপাড়ায় ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ, শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার সুকদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি জরুরি সভা করে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মফিজুর রহমান (মফি) বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর পাশাপাশি এক শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতেন। সম্প্রতি প্রাইভেট পড়ানোর সময় ওই ছাত্রীকে তিনি কুপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবক ও সহপাঠীদের জানালে তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সোমবার থেকে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিদ্যালয়সংলগ্ন বাজার এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি জরুরি সভা করে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরুণ কুমার দাস বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়ে ধারণা পাওয়া গেছে। শিক্ষক মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বুধবার আবারও পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রাকিব হাসান জানান, জরুরি সভায় শিক্ষক মফিজুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে বিদ্যালয়ে না আসার জন্য বলা হয়েছে। পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মফিজুর রহমান। তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সর্বাধিক পঠিত

২০২৯ সাল পর্যন্ত গড়াতে পারে ইরান যুদ্ধ, ট্রাম্পকে সতর্ক উপদেষ্টাদের

বাঘারপাড়ায় ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ, শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

আপডেট: ০৯:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার সুকদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি জরুরি সভা করে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মফিজুর রহমান (মফি) বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর পাশাপাশি এক শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতেন। সম্প্রতি প্রাইভেট পড়ানোর সময় ওই ছাত্রীকে তিনি কুপ্রস্তাব দেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থী তার অভিভাবক ও সহপাঠীদের জানালে তা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সোমবার থেকে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসী বিদ্যালয়সংলগ্ন বাজার এলাকায় জড়ো হতে থাকেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি জরুরি সভা করে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরুণ কুমার দাস বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়ে ধারণা পাওয়া গেছে। শিক্ষক মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বুধবার আবারও পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রাকিব হাসান জানান, জরুরি সভায় শিক্ষক মফিজুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে বিদ্যালয়ে না আসার জন্য বলা হয়েছে। পরবর্তী সভায় এ বিষয়ে আরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মফিজুর রহমান। তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।