০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাজিরায় এসআই রফিকুলের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯

শরীয়তপুরের জাজিরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশ জানায়, অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে সত্যতা পাওয়া গেলে এসআই রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে জাজিরার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের মালেক শেখের মেয়ে ইতি আক্তারের সঙ্গে জাজিরা পৌরসভার সোনার দেউল এলাকার নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে সাত্তার শেখের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেন ইতি।

এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট রাতে স্বামীসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়ার একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় গত ৪ সেপ্টেম্বর স্বামী সাজ্জাদ শেখসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পারিবারিক বিরোধ, শারীরিক নির্যাতন ও যৌতুক দাবির অভিযোগে জাজিরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ইতি আক্তার। অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই রফিকুল ইসলাম।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তের অংশ হিসেবে বাদীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের সময় ইতি আক্তারের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন এসআই রফিকুল। পরে ভুক্তভোগীর এক নিকটাত্মীয় সৌদি প্রবাসী দুলাল মোড়লের সঙ্গে মুঠোফোনে কথোপকথনের সময় টাকা পাঠানোর জন্য নিজের বিকাশ নম্বরও দেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই কথোপকথনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এসআই রফিকুল ইসলামকে জাজিরা থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাকারিয়া রহমান বলেন, এসআই রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়া চলছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত

সাজা ও সাময়িক বরখাস্তের পরও পদোন্নতি, যশোর বিআরটিএর এডি জমির হোসেনকে ঘিরে প্রশ্ন

জাজিরায় এসআই রফিকুলের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা

আপডেট: ০৮:২০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শরীয়তপুরের জাজিরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশ জানায়, অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে সত্যতা পাওয়া গেলে এসআই রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে জাজিরার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের মালেক শেখের মেয়ে ইতি আক্তারের সঙ্গে জাজিরা পৌরসভার সোনার দেউল এলাকার নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে সাত্তার শেখের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেন ইতি।

এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি। সর্বশেষ গত ১৭ আগস্ট রাতে স্বামীসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়ার একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় গত ৪ সেপ্টেম্বর স্বামী সাজ্জাদ শেখসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে পারিবারিক বিরোধ, শারীরিক নির্যাতন ও যৌতুক দাবির অভিযোগে জাজিরা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ইতি আক্তার। অভিযোগটি তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই রফিকুল ইসলাম।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তদন্তের অংশ হিসেবে বাদীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের সময় ইতি আক্তারের কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন এসআই রফিকুল। পরে ভুক্তভোগীর এক নিকটাত্মীয় সৌদি প্রবাসী দুলাল মোড়লের সঙ্গে মুঠোফোনে কথোপকথনের সময় টাকা পাঠানোর জন্য নিজের বিকাশ নম্বরও দেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, ওই কথোপকথনের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এসআই রফিকুল ইসলামকে জাজিরা থানা থেকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জাকারিয়া রহমান বলেন, এসআই রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং সাময়িক বরখাস্তের প্রক্রিয়া চলছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।