বুধবার যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—হিদিয়া গ্রামের সোলেমান বিশ্বাসের ছেলে নাসির বিশ্বাস, লুৎফর বিশ্বাসের ছেলে হোসেন বিশ্বাস ও ইয়ামিন বিশ্বাস।
আদালতের রায়ে নাসির বিশ্বাস ও হোসেন বিশ্বাসকে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় দেড় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
অপর আসামি ইয়ামিন বিশ্বাসকে দণ্ডবিধির ৩২৫ ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, হিদিয়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামের সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে ২০২১ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ইছামতি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ইছামতি ব্রিজসংলগ্ন ইউপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে রফিকুল ইসলামের পথরোধ করেন আসামিরা।
এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় রফিকুল ইসলামের ভাই আব্দুল গফুর মোল্লা বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইকবাল মাহমুদ সাত আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন।
দীর্ঘদিন ধরে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ ও শুনানি শেষে বুধবার আদালত রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।





















