০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘুষের অভিযোগে আলোচিত প্রকৌশলী নাজমুল জিসানের ফেনী পৌরসভায় বদলি,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫৩৮

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল জিসানকে ফেনী পৌরসভায় বদলি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সগীর আহম্মেদের সই করা ১৪ জুলাইয়ের এক অফিস আদেশে নাজমুল জিসানকে ফেনী পৌরসভায় এবং ফেনী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. নাজিম উদ্দিন শামিমকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় বদলি করা হয়।

বদলির আদেশ প্রকাশের পর ফেনী পৌরসভার কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফেনী পৌরসভার এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি বদলির আদেশকে তারা সম্মান করেন। তবে একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও কর্মনিষ্ঠ সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মনছুর আলম বলেন, “ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা কোনো কর্মকর্তাকে ফেনীতে দেখতে চাই না।” তিনি দাবি করেন, অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত।

জানা গেছে, সম্প্রতি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ এনে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন ঠিকাদার মো. সোহেল মিয়া। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ৫০ লাখ টাকার বিশেষ বরাদ্দের আওতায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নাজমুল জিসান তার কাছ থেকে অগ্রিম ৪ লাখ টাকা নেন। তবে পরে তাকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি এবং টাকা ফেরতও পাননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও অনুরোধ করেছেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বেতন, প্রভিডেন্ট ফান্ড বা গ্র্যাচুইটি থেকে ওই অর্থ সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হোক।

এ বিষয়ে নাজমুল জিসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি তার কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি। তাকে ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করানো হয়েছে।”

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ বা অন্য কোনো তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফল প্রকাশ করেনি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

 

সর্বাধিক পঠিত

অভয়নগরে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম, আটক ১

ঘুষের অভিযোগে আলোচিত প্রকৌশলী নাজমুল জিসানের ফেনী পৌরসভায় বদলি,

আপডেট: ১০:০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল জিসানকে ফেনী পৌরসভায় বদলি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সগীর আহম্মেদের সই করা ১৪ জুলাইয়ের এক অফিস আদেশে নাজমুল জিসানকে ফেনী পৌরসভায় এবং ফেনী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. নাজিম উদ্দিন শামিমকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় বদলি করা হয়।

বদলির আদেশ প্রকাশের পর ফেনী পৌরসভার কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ফেনী পৌরসভার এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি বদলির আদেশকে তারা সম্মান করেন। তবে একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও কর্মনিষ্ঠ সহকর্মীর সঙ্গে কাজ করতে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মনছুর আলম বলেন, “ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকা কোনো কর্মকর্তাকে ফেনীতে দেখতে চাই না।” তিনি দাবি করেন, অভিযোগের যথাযথ তদন্ত হওয়া উচিত।

জানা গেছে, সম্প্রতি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাসে ৪ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ এনে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন ঠিকাদার মো. সোহেল মিয়া। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ৫০ লাখ টাকার বিশেষ বরাদ্দের আওতায় কাজ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে নাজমুল জিসান তার কাছ থেকে অগ্রিম ৪ লাখ টাকা নেন। তবে পরে তাকে কোনো কাজ দেওয়া হয়নি এবং টাকা ফেরতও পাননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী আরও অনুরোধ করেছেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বেতন, প্রভিডেন্ট ফান্ড বা গ্র্যাচুইটি থেকে ওই অর্থ সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হোক।

এ বিষয়ে নাজমুল জিসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি তার কাছ থেকে কোনো টাকা নিইনি। তাকে ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করানো হয়েছে।”

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ বা অন্য কোনো তদন্তকারী সংস্থা অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফল প্রকাশ করেনি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।