০৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পিতার অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’, পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে লেন্টু

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৩

পরিবারের সম্পদ আত্মসাৎ, জমি দখল, মিথ্যা মামলা ও পিতাকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন চৌগাছা পৌর বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান লেন্টু।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে ‘শতভাগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন।

লেন্টু বলেন, তিনি তার পিতার কোনো জমি ভোগদখল করছেন না। বরং পাঁচ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত দুইতলা বাড়িটি তার পিতা তাকে ও তার দুই বোনকে বঞ্চিত করে ছোট ভাই শফিকুল ইসলামের নামে লিখে দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরিবারের অর্থ-সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগও তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে এ ধরনের মামলার সংখ্যা ১২টি। তার পিতা প্রায় ১৫ কোটি টাকার অর্থ-সম্পদ ফেরত পাওয়ার দাবি করে যশোরের পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন লেন্টু। তার ভাষ্য, ওই সম্পদের দাবির সত্যতা প্রমাণিত হলে তিনি তা ফেরত দিতে প্রস্তুত।

সংবাদ সম্মেলনে লেন্টু দাবি করেন, ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন তাকে মারধর করে দোকান থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে দেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সার ব্যবসা নিয়ে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে লেন্টু বলেন, প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে যে সার আটক করেছে, সেগুলো তার নয়; এগুলো খাইরুল ইসলামের। এ বিষয়ে প্রশাসন ও কৃষি অফিসে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে সার ব্যবসা নিয়ে করা অভিযোগও মিথ্যা বলে দাবি করেন লেন্টু।

চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করার বিষয়ে তিনি বলেন, মসজিদ নির্মাণ বন্ধ করাই তার মামলার উদ্দেশ্য নয়। ৬৮১ নম্বর দাগের পরিবর্তে একই মালিকানাধীন ৬৫৩ নম্বর দাগে মসজিদ নির্মাণের দাবিতে উচ্চ আদালতে মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিন মাসের স্ট্যাটাসকো জারি হয়েছে এবং আরও কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারও রিট করেছেন বলে জানান তিনি।

লেন্টু বলেন, হাট ইজারা, সার ব্যবসা ও পারিবারিক সম্পদ নিয়ে তার বিরুদ্ধে সোমবার প্রকাশিত সংবাদে যেসব বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

এ সময় পরিবারের করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার, অর্থ-সম্পদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান লেন্টু।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা, আধুনিক চাষাবাদে কৃষকদের গুরুত্বারোপ

পিতার অভিযোগ ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’, পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে লেন্টু

আপডেট: ০২:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরিবারের সম্পদ আত্মসাৎ, জমি দখল, মিথ্যা মামলা ও পিতাকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন চৌগাছা পৌর বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান লেন্টু।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোকে ‘শতভাগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন।

লেন্টু বলেন, তিনি তার পিতার কোনো জমি ভোগদখল করছেন না। বরং পাঁচ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত দুইতলা বাড়িটি তার পিতা তাকে ও তার দুই বোনকে বঞ্চিত করে ছোট ভাই শফিকুল ইসলামের নামে লিখে দিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। পরিবারের অর্থ-সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগও তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে এ ধরনের মামলার সংখ্যা ১২টি। তার পিতা প্রায় ১৫ কোটি টাকার অর্থ-সম্পদ ফেরত পাওয়ার দাবি করে যশোরের পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন লেন্টু। তার ভাষ্য, ওই সম্পদের দাবির সত্যতা প্রমাণিত হলে তিনি তা ফেরত দিতে প্রস্তুত।

সংবাদ সম্মেলনে লেন্টু দাবি করেন, ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন তাকে মারধর করে দোকান থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে দেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সার ব্যবসা নিয়ে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে লেন্টু বলেন, প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে যে সার আটক করেছে, সেগুলো তার নয়; এগুলো খাইরুল ইসলামের। এ বিষয়ে প্রশাসন ও কৃষি অফিসে প্রয়োজনীয় প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে সার ব্যবসা নিয়ে করা অভিযোগও মিথ্যা বলে দাবি করেন লেন্টু।

চৌগাছা মডেল মসজিদ নির্মাণ নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করার বিষয়ে তিনি বলেন, মসজিদ নির্মাণ বন্ধ করাই তার মামলার উদ্দেশ্য নয়। ৬৮১ নম্বর দাগের পরিবর্তে একই মালিকানাধীন ৬৫৩ নম্বর দাগে মসজিদ নির্মাণের দাবিতে উচ্চ আদালতে মামলা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিন মাসের স্ট্যাটাসকো জারি হয়েছে এবং আরও কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারও রিট করেছেন বলে জানান তিনি।

লেন্টু বলেন, হাট ইজারা, সার ব্যবসা ও পারিবারিক সম্পদ নিয়ে তার বিরুদ্ধে সোমবার প্রকাশিত সংবাদে যেসব বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।

এ সময় পরিবারের করা ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহার, অর্থ-সম্পদের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান লেন্টু।