বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)-এর সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন বক্তব্যকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)-এর হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রফিকুল ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় ১৪ থেকে ১৫ দিন আগে ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম গভীর রাতে একদল লোক নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করেন। পরে অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে বাড়ির পাশের একটি স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বর্তমান সভাপতি তবিবুর রহমান তবি, সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বন্দরে চুরির অভিযোগ এনে মোবাইল ফোনে ভিডিও বক্তব্য দিতে তাকে বাধ্য করা হয়।
রফিকুল ইসলাম বলেন, নিজের জীবন রক্ষার স্বার্থে তিনি তখন তাদের কথামতো ওই বক্তব্য দিতে বাধ্য হন। তার দাবি, বাস্তবে সহিদ আলী দীর্ঘদিন ধরে বন্দর এলাকায় চুরি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। কোনো শ্রমিক চুরির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী বলেন, কিছুদিন ধরে ফেসবুকের বিভিন্ন ভুয়া আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এ ঘটনায় তিনি বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান।
তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে বন্দরে চুরি রোধে কাজ করে যাচ্ছেন। পণ্য লোড-আনলোডের সময় কোনো ধরনের অনিয়ম বা চুরি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে শ্রমিকদের নিয়মিত সতর্ক করা হয়। কেউ অপরাধে জড়িত প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়নের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মজিদ ও মো. জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী ডাক্তার, শ্রমিক নেতা আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, কোষাধ্যক্ষ মো. সবুজ হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্যসহ বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)-এর নেতাকর্মীরা




















