১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আজ বিশ্ব বাবা দিবস

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৫১০

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আজ বিশ্ব বাবা দিবস। সন্তানের জীবনে বাবার ভালোবাসা, ত্যাগ ও অবদানকে সম্মান জানাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশেষ এই দিনটি। প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় বাবা দিবস।

বাবা শুধু পরিবারের অভিভাবক নন, তিনি একজন সন্তানের প্রথম নায়ক, নিরাপত্তার প্রতীক এবং অনুপ্রেরণার উৎস। সন্তানের সুখ-দুঃখ, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গঠনে একজন বাবার অবদান অনস্বীকার্য। তাই বাবাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই বিশেষ দিন।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সনোরা স্মার্ট ডড নামের এক নারীর। ১৯০৯ সালে ওয়াশিংটনের একটি গির্জায় মা দিবস উদযাপনের কথা শুনে তিনি উপলব্ধি করেন, মায়েদের সম্মান জানানোর জন্য বিশেষ দিন থাকলেও বাবাদের জন্য এমন কোনো দিন নেই।

সনোরা স্মার্ট ডড ছোটবেলায় মাকে হারান। এরপর তার বাবা একাই সাত সন্তানকে অসীম ত্যাগ ও কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় করে তোলেন। বাবার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকেই তিনি বাবা দিবস চালুর উদ্যোগ নেন। দীর্ঘ এক বছরের প্রচেষ্টার পর স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পালিত হয় বাবা দিবস।

পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাবা দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি পরিবারে বাবার অবদান ও ত্যাগকে স্মরণ করার একটি উপলক্ষ। কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে বাবার প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আজকের দিনে অনেকেই বাবাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, উপহার দিচ্ছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্মৃতিচারণ করছেন। যাদের বাবা আর বেঁচে নেই, তারা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন জীবনের শ্রেষ্ঠ অভিভাবককে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে বোনকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাত

আজ বিশ্ব বাবা দিবস

আপডেট: ১০:৩৭:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :
আজ বিশ্ব বাবা দিবস। সন্তানের জীবনে বাবার ভালোবাসা, ত্যাগ ও অবদানকে সম্মান জানাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশেষ এই দিনটি। প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় বাবা দিবস।

বাবা শুধু পরিবারের অভিভাবক নন, তিনি একজন সন্তানের প্রথম নায়ক, নিরাপত্তার প্রতীক এবং অনুপ্রেরণার উৎস। সন্তানের সুখ-দুঃখ, শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ গঠনে একজন বাবার অবদান অনস্বীকার্য। তাই বাবাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশের উদ্দেশ্যে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় এই বিশেষ দিন।

ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাবা দিবসকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সনোরা স্মার্ট ডড নামের এক নারীর। ১৯০৯ সালে ওয়াশিংটনের একটি গির্জায় মা দিবস উদযাপনের কথা শুনে তিনি উপলব্ধি করেন, মায়েদের সম্মান জানানোর জন্য বিশেষ দিন থাকলেও বাবাদের জন্য এমন কোনো দিন নেই।

সনোরা স্মার্ট ডড ছোটবেলায় মাকে হারান। এরপর তার বাবা একাই সাত সন্তানকে অসীম ত্যাগ ও কষ্টের মধ্য দিয়ে বড় করে তোলেন। বাবার প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকেই তিনি বাবা দিবস চালুর উদ্যোগ নেন। দীর্ঘ এক বছরের প্রচেষ্টার পর স্থানীয় সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় ১৯১০ সালের ১৯ জুন প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে পালিত হয় বাবা দিবস।

পরবর্তীতে ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বাবা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাবা দিবস শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি পরিবারে বাবার অবদান ও ত্যাগকে স্মরণ করার একটি উপলক্ষ। কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে বাবার প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য এই দিনটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

আজকের দিনে অনেকেই বাবাকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, উপহার দিচ্ছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্মৃতিচারণ করছেন। যাদের বাবা আর বেঁচে নেই, তারা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন জীবনের শ্রেষ্ঠ অভিভাবককে।