০৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

শার্শায় ইকরামুল হত্যা মামলায় প্রেমিকা, স্বামীসহ ৪ জন আটক;

যশোরের শার্শায় আলোচিত ইকরামুল কবির হত্যা মামলায় পরকীয়া প্রেমিকা, তার স্বামী, বাবা ও এক নারী কর্মচারীকে আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ। রোববার আটক চারজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন— বসতপুর গ্রামের মুন্নি আক্তার, তার স্বামী আল ফরহাদ, মুন্নির বাবা ফজল ওরফে ফজু এবং মুন্নির বিউটি পার্লারের কর্মচারী আমলাই গ্রামের কাকলী আক্তার।

এর আগে শনিবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে আল ফরহাদের বাড়ির গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে নিহত ইকরামুল কবির-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির ভেতর মাটিচাপা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার সেতাই গ্রামে বোনের বাড়ি থেকে ইকরামুল কবিরকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
পরে নিহতের বাবা মো. আব্দুর রশিদ আদালতে নালিশি দরখাস্ত দিলে আদালতের নির্দেশে শার্শা থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে বাগআঁচড়া বাজারের একটি বিউটি পার্লার থেকে কাকলী আক্তারকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নি আক্তার ও আল ফরহাদকে বসতপুর গ্রাম থেকে এবং ফজলু মোড়লকে সেতাই গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আল ফরহাদ স্বীকার করেছেন যে, তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের সঙ্গে ইকরামুল কবিরের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে ইকরামুলকে বাড়িতে ডেকে আনা হয়।

পরে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করা হয় এবং গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আল ফরহাদ রোববার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ঘটনায় জড়িত অন্য কেউ আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অধিকাল ভাতা পুনরায় চালুর দাবিতে বেনাপোল স্থল বন্দরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মবিরতি

শার্শায় ইকরামুল হত্যা মামলায় প্রেমিকা, স্বামীসহ ৪ জন আটক;

আপডেট: ০৫:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

যশোরের শার্শায় আলোচিত ইকরামুল কবির হত্যা মামলায় পরকীয়া প্রেমিকা, তার স্বামী, বাবা ও এক নারী কর্মচারীকে আটক করেছে শার্শা থানা পুলিশ। রোববার আটক চারজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন— বসতপুর গ্রামের মুন্নি আক্তার, তার স্বামী আল ফরহাদ, মুন্নির বাবা ফজল ওরফে ফজু এবং মুন্নির বিউটি পার্লারের কর্মচারী আমলাই গ্রামের কাকলী আক্তার।

এর আগে শনিবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে আল ফরহাদের বাড়ির গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে নিহত ইকরামুল কবির-এর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর বাড়ির ভেতর মাটিচাপা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার সেতাই গ্রামে বোনের বাড়ি থেকে ইকরামুল কবিরকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
পরে নিহতের বাবা মো. আব্দুর রশিদ আদালতে নালিশি দরখাস্ত দিলে আদালতের নির্দেশে শার্শা থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে বাগআঁচড়া বাজারের একটি বিউটি পার্লার থেকে কাকলী আক্তারকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মুন্নি আক্তার ও আল ফরহাদকে বসতপুর গ্রাম থেকে এবং ফজলু মোড়লকে সেতাই গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে আল ফরহাদ স্বীকার করেছেন যে, তার স্ত্রী মুন্নি আক্তারের সঙ্গে ইকরামুল কবিরের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে ক্ষোভ থেকেই পরিকল্পিতভাবে ইকরামুলকে বাড়িতে ডেকে আনা হয়।

পরে জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে তাকে অচেতন করা হয় এবং গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আল ফরহাদ রোববার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ঘটনায় জড়িত অন্য কেউ আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।