গ্রেপ্তারকৃত আমিনুল ইসলাম রুখালী গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি ওই মসজিদে ইমামতির পাশাপাশি প্রতিদিন ফজর নামাজের পর মসজিদের বারান্দায় স্থানীয় শিশুদের আরবি পড়াতেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী:
গত ৫ জুন সকালে ভুক্তভোগী এক শিশুকে চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে নিজের ঘরে ডেকে নেন আমিনুল।
ঘরে নিয়ে ওই শিশুর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করেন তিনি।
শিশুটি বাড়ি ফিরে পরিবারকে বিষয়টি জানালে তারা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। তখন আরও বেশ কয়েকজন শিশু জানায় যে, তাদের সাথেও অনুরূপ আচরণ করা হয়েছে।
বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা আমিনুল ইসলামের কাছে কৈফিয়ত চাইতে যান। এসময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে গ্রামবাসী তাকে ধরে **গণপিটুনি** দেয়। খবর পেয়ে শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে চাকই বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে নড়াইল সদর থানা পুলিশ।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু জানান:
> “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ইমাম আমিনুল স্বীকার করেছেন যে, মক্তবে পড়া শেষে তিনি শিশুদের যৌন হয়রানি করতেন। ভুক্তভোগী শিশুর বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আজই তাকে আদালতে পাঠানো হবে।”
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় অভিভাবকরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।




















