০২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

শাপলা চত্বর মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত কথিত হত্যাযজ্ঞের মামলায় রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার পক্ষে এই আবেদন উপস্থাপন করা হয়।

তার আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার আদালতকে জানান, মামলার ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত আছেন।

শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্যুনালকে জানান, অনুমতি পেলে জলিল মণ্ডল বিচার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চান এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে আগ্রহী।

একই দিন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডলের জামিন আবেদনও শুনানির জন্য ওঠে। তবে শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসভবন থেকে পুলিশের সাবেক এই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আবদুল জলিল মণ্ডলের বাড়ি পাবনা জেলায়। তিনি দীর্ঘদিন পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে তিনি ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার এবং পরবর্তীতে র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে খড়ের মাঠে দেখা মিলল বিষধর রাসেল ভাইপার, এলাকায় সতর্কতা জারি

শাপলা চত্বর মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল

আপডেট: ১২:৫৭:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত কথিত হত্যাযজ্ঞের মামলায় রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।

বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার পক্ষে এই আবেদন উপস্থাপন করা হয়।

তার আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার আদালতকে জানান, মামলার ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত আছেন।

শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্যুনালকে জানান, অনুমতি পেলে জলিল মণ্ডল বিচার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চান এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করতে আগ্রহী।

একই দিন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডলের জামিন আবেদনও শুনানির জন্য ওঠে। তবে শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসভবন থেকে পুলিশের সাবেক এই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আবদুল জলিল মণ্ডলের বাড়ি পাবনা জেলায়। তিনি দীর্ঘদিন পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে তিনি ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার এবং পরবর্তীতে র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।