কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে রোহিঙ্গা সংগঠন ‘এআরও’ গ্রুপের এক নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ক্যাম্প এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ক্যাম্প-৭ ও ক্যাম্প-৮-এর মধ্যবর্তী তরজার ব্রিজ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি কেফায়েত উল্লাহ হালিম। তিনি ক্যাম্প-৭-এর ব্লক-এফ/২-এর বাসিন্দা এবং বাদশা মিয়ার ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি রোহিঙ্গা সংগঠন ‘এআরও’-এর সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৭) এবং নুর মোহাম্মদ। তারা ক্যাম্প-৭-এর ব্লক-এ/৪ ও ব্লক-জি এলাকার বাসিন্দা।
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সূত্রে জানা যায়, কেফায়েত উল্লাহ হালিমসহ তিনজন মোটরসাইকেলে করে ক্যাম্প-৮/ইস্ট (বালুখালী) এলাকা থেকে নিজেদের শেডে ফিরছিলেন। ফেরার পথে ক্যাম্প-৮/ইস্ট-এর এ/৩২ পয়েন্ট এবং ক্যাম্প-৭-এর মাঝামাঝি তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। হামলার পরপরই সন্ত্রাসীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার খবর পেয়ে নৌকারমাঠ পুলিশ ক্যাম্পের একটি মোবাইল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় রোহিঙ্গাদের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেফায়েত উল্লাহ হালিমকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুইজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এপিবিএন জানিয়েছে, ঘটনার পর ক্যাম্প এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা সশস্ত্র হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।




















