০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৮

যশোরে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ সকালে শহরের টাউন হল মাঠ থেকে বের করা হয় ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা, যা পুরো শহরজুড়ে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ, উৎসব ও বাঙালিয়ানা চেতনার রঙ।

শোভাযাত্রাটি টাউন হল মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ এবং আদ-দ্বীন রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন রঙিন ফেস্টুন, গ্রামীণ সংস্কৃতির উপকরণ, বিশাল মুখোশ এবং লোকজ ঐতিহ্যের প্রতীকী উপস্থাপনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়।

এই আয়োজনের নেতৃত্ব দেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান এবং জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী, শিল্পী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো শহর যেন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত উৎসব নগরীতে।

ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সনের প্রবর্তন ঘটে মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে, যা পরবর্তীতে বাঙালির জীবন-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। ১৯৮৯ সালে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রার ধারাবাহিকতায় আজকের এই আয়োজনও সেই ঐতিহ্যকেই ধারণ করে।

অংশগ্রহণকারীরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বাঙালির শেকড়, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শোভাযাত্রা শেষে বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব—এটি শুধু আনন্দ উদযাপনের দিন নয়, বরং ঐক্য, সম্প্রীতি এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। দিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত পরিবেশনা এবং লোকজ আয়োজনে যশোরবাসী বরণ করে নিচ্ছে নতুন বছরকে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরের শার্শার “জিয়া খাল” পরিদর্শনে আসেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

আপডেট: ১০:৪২:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে উৎসবমুখর পরিবেশ ও বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ সকালে শহরের টাউন হল মাঠ থেকে বের করা হয় ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা, যা পুরো শহরজুড়ে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ, উৎসব ও বাঙালিয়ানা চেতনার রঙ।

শোভাযাত্রাটি টাউন হল মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ এবং আদ-দ্বীন রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন রঙিন ফেস্টুন, গ্রামীণ সংস্কৃতির উপকরণ, বিশাল মুখোশ এবং লোকজ ঐতিহ্যের প্রতীকী উপস্থাপনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয়।

এই আয়োজনের নেতৃত্ব দেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান এবং জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী, শিল্পী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো শহর যেন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত উৎসব নগরীতে।

ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সনের প্রবর্তন ঘটে মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে, যা পরবর্তীতে বাঙালির জীবন-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। ১৯৮৯ সালে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে শুরু হওয়া মঙ্গল শোভাযাত্রার ধারাবাহিকতায় আজকের এই আয়োজনও সেই ঐতিহ্যকেই ধারণ করে।

অংশগ্রহণকারীরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বাঙালির শেকড়, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

শোভাযাত্রা শেষে বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব—এটি শুধু আনন্দ উদযাপনের দিন নয়, বরং ঐক্য, সম্প্রীতি এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। দিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সংগীত পরিবেশনা এবং লোকজ আয়োজনে যশোরবাসী বরণ করে নিচ্ছে নতুন বছরকে।