০৫:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে মসজিদের উন্নয়ন তহবিল চুরি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৮

যশোর শহরতলির বিরামপুর উত্তর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অবস্থিত বাইতুল হামদ জামে মসজিদে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের উন্নয়ন কাজের জন্য সংরক্ষিত প্রায় ২১ হাজার টাকার বেশি নগদ অর্থ ড্রয়ার ভেঙে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদের উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য সংগৃহীত টাকা মসজিদের ভেতরে একটি কাঠের ড্রয়ারে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। গত পরশু দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে ড্রয়ারের তালা ভেঙে পুরো অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরদিন সকালে মসজিদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ভেতরে গিয়ে ড্রয়ার ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এরপরই চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হলে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক চিহ্নিত ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর এলাকায় পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় বহিরাগত ও সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে, যা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি তাদের।
এ ধরনের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মসজিদ কমিটি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে মসজিদের উন্নয়ন তহবিল চুরি

যশোরে মসজিদের উন্নয়ন তহবিল চুরি

আপডেট: ০৫:৩০:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

যশোর শহরতলির বিরামপুর উত্তর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অবস্থিত বাইতুল হামদ জামে মসজিদে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের উন্নয়ন কাজের জন্য সংরক্ষিত প্রায় ২১ হাজার টাকার বেশি নগদ অর্থ ড্রয়ার ভেঙে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মসজিদের উন্নয়ন কার্যক্রমের জন্য সংগৃহীত টাকা মসজিদের ভেতরে একটি কাঠের ড্রয়ারে তালাবদ্ধ অবস্থায় রাখা ছিল। গত পরশু দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে ড্রয়ারের তালা ভেঙে পুরো অর্থ নিয়ে পালিয়ে যায়।
পরদিন সকালে মসজিদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ভেতরে গিয়ে ড্রয়ার ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এরপরই চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হলে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্প্রতি মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক চিহ্নিত ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর এলাকায় পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকায় বহিরাগত ও সন্দেহজনক লোকজনের আনাগোনা বেড়েছে, যা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি তাদের।
এ ধরনের দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি মসজিদ কমিটি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।