০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

জ্বালানি চাহিদা মেটাতে দেশে আসছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের নতুন চালান

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫৪

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের দুটি বড় চালান আমদানি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজ দেশের পথে রয়েছে। আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি আগামী বুধবার চট্টগ্রাম বন্দর-এর বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

একই দিনে আরও একটি জাহাজ ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছাবে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি আমদানি করা হচ্ছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর-এ ইতোমধ্যে আরও দুটি জ্বালানি বহনকারী জাহাজ পৌঁছেছে। ‘কুল ভয়েজার’ নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি এবং ‘গ্যাস জার্নি’ চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এসব জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত থাকায় দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা কমে এসেছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ শিল্প খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সর্বাধিক পঠিত

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু, ১১ জুন নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন

জ্বালানি চাহিদা মেটাতে দেশে আসছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের নতুন চালান

আপডেট: ০৯:৪০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের দুটি বড় চালান আমদানি করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের একটি জাহাজ দেশের পথে রয়েছে। আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি আগামী বুধবার চট্টগ্রাম বন্দর-এর বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

একই দিনে আরও একটি জাহাজ ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছাবে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। এরই অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি আমদানি করা হচ্ছে।
এদিকে, চট্টগ্রাম বন্দর-এ ইতোমধ্যে আরও দুটি জ্বালানি বহনকারী জাহাজ পৌঁছেছে। ‘কুল ভয়েজার’ নাইজেরিয়া থেকে এলএনজি এবং ‘গ্যাস জার্নি’ চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এসব জ্বালানি খালাস কার্যক্রম শুরু হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি আমদানি অব্যাহত থাকায় দেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা কমে এসেছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ শিল্প খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।