মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিশংকরপুর গ্রামে মহিষ জবাই করে মাংস বিক্রির ঘোষণা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ঘটা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করেছে।
আহতদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী জেলা নড়াইলের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মহিষ জবাই করে মাংস বিক্রি করার জন্য কালিশংকরপুর গ্রামের একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। এই ঘোষণা দেওয়ার প্রতিবাদ জানায় গ্রামের একটি পক্ষ। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালীন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুরের শিকার হয়।
মোহাম্মদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “মসজিদে মহিষ জবাই ও বিক্রির ঘোষণা দেওয়ার সময় মোয়াজ্জিন আইয়ুব হোসেন বাধা দিলে বিবাদের সূত্রপাত হয়। এসময় সেলিম হোসেন নামের এক ব্যক্তি মসজিদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দুই পক্ষ মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে।”
ওসি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে সাব্বির (২৫) ও রিয়াজ হোসেন (২৫) নামে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।




















