০৭:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

যশোরে ঈদের নামাজের ব্যাপক প্রস্তুতি: সাড়ে ৬ হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে হবে জামাত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ৫১১

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোর জেলাজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। জেলার ৮টি উপজেলার ৯৩টি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের জামাত আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নামাজ আদায় করতে পারেন, সেজন্য জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিল্লাল বিন কাশেম জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সব ধরনের সমন্বয় করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত ঈদগাহগুলোতে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
যশোর শহরের প্রধান প্রধান জামাতের সময়সূচি
শহরের প্রধান প্রধান ঈদগাহ ও মসজিদে নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি জামাতের সময় নিচে দেওয়া হলো:
* যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান: প্রথম জামাত সকাল ৮টা এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে।
* জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: প্রথম জামাত সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
* পুলিশ লাইন জামে মসজিদ: এখানে সকাল ৮টা ও ৮টা ৩০ মিনিটে দুটি জামাত হবে।
* অন্যান্য স্থান: কারবালা জামে মসজিদ, চাঁচড়া ডালমিল মসজিদ, ওয়াপদা কলোনি মসজিদ এবং উপশহর কেন্দ্রীয় ঈদগাহসহ অধিকাংশ স্থানে সকাল ৮টায় জামাত শুরু হবে।
এছাড়া গ্রামীণ পর্যায়ের বিভিন্ন ঈদগাহে স্থানীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে ৯টার মধ্যে নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ও বিকল্প ব্যবস্থা
ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বড় ঈদগাহগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। যদি বৈরী আবহাওয়া দেখা দেয়, তবে খোলা মাঠের পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ইমামদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন ঈদের খুতবায় মানবিকতা, শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা প্রচার করা হয়। এছাড়া ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে জেলায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে অসহায় মানুষের মাঝে যাকাত ও ফিতরা বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে বি.কে.এস ক্রীড়া সংস্থার ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

যশোরে ঈদের নামাজের ব্যাপক প্রস্তুতি: সাড়ে ৬ হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে হবে জামাত

আপডেট: ০৫:২২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যশোর জেলাজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। জেলার ৮টি উপজেলার ৯৩টি ইউনিয়নে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের জামাত আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা যাতে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নামাজ আদায় করতে পারেন, সেজন্য জেলা প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন যশোর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিল্লাল বিন কাশেম জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সব ধরনের সমন্বয় করা হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে নির্ধারিত ঈদগাহগুলোতে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
যশোর শহরের প্রধান প্রধান জামাতের সময়সূচি
শহরের প্রধান প্রধান ঈদগাহ ও মসজিদে নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি জামাতের সময় নিচে দেওয়া হলো:
* যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান: প্রথম জামাত সকাল ৮টা এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে।
* জেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: প্রথম জামাত সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
* পুলিশ লাইন জামে মসজিদ: এখানে সকাল ৮টা ও ৮টা ৩০ মিনিটে দুটি জামাত হবে।
* অন্যান্য স্থান: কারবালা জামে মসজিদ, চাঁচড়া ডালমিল মসজিদ, ওয়াপদা কলোনি মসজিদ এবং উপশহর কেন্দ্রীয় ঈদগাহসহ অধিকাংশ স্থানে সকাল ৮টায় জামাত শুরু হবে।
এছাড়া গ্রামীণ পর্যায়ের বিভিন্ন ঈদগাহে স্থানীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে ৯টার মধ্যে নামাজের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ও বিকল্প ব্যবস্থা
ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বড় ঈদগাহগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন। যদি বৈরী আবহাওয়া দেখা দেয়, তবে খোলা মাঠের পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ইমামদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন ঈদের খুতবায় মানবিকতা, শান্তি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা প্রচার করা হয়। এছাড়া ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে জেলায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে অসহায় মানুষের মাঝে যাকাত ও ফিতরা বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।