০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

একুশ মানেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের প্রেরণা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১২

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ২১শে ফেব্রুয়ারি কেবল রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে আনার দিন নয়; এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই এবং কোনো প্রকার বৈষম্যের কাছে মাথা নত না করার সুমহান প্রেরণা। শহীদ মিনার আমাদের সেই সাহস ও উদ্দীপনা জোগায়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ৫২-এর ভাষা আন্দোলন ও ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের যোগসূত্র টেনে বলেন, “৫২-এর সেই ঐতিহাসিক জনবিস্ফোরণই আমাদের বাংলা ভাষায় কথা বলার সাংবিধানিক অধিকার এনে দিয়েছে। ৫২ হোক কিংবা ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হয়, তখনই কাঙ্ক্ষিত বিজয় নিশ্চিত হয়।”

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (পিপিএম) সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিজ্ঞ পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যশোর সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. মোফাজ্জেল হোসেন।

আলোচনা সভা শেষে ভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা ভাষা শহীদদের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে চুরির অপবাদে মানসিক ভারসাম্যহীন শামীম হত্যা: অন্যতম আসামি ইসমাইল গ্রেফতার

একুশ মানেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের প্রেরণা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

আপডেট: ০৩:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ২১শে ফেব্রুয়ারি কেবল রক্ত দিয়ে মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে আনার দিন নয়; এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই এবং কোনো প্রকার বৈষম্যের কাছে মাথা নত না করার সুমহান প্রেরণা। শহীদ মিনার আমাদের সেই সাহস ও উদ্দীপনা জোগায়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ৫২-এর ভাষা আন্দোলন ও ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের যোগসূত্র টেনে বলেন, “৫২-এর সেই ঐতিহাসিক জনবিস্ফোরণই আমাদের বাংলা ভাষায় কথা বলার সাংবিধানিক অধিকার এনে দিয়েছে। ৫২ হোক কিংবা ২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হয়, তখনই কাঙ্ক্ষিত বিজয় নিশ্চিত হয়।”

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (পিপিএম) সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিজ্ঞ পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যশোর সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. মোফাজ্জেল হোসেন।

আলোচনা সভা শেষে ভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা ভাষা শহীদদের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান।