১২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

শরিফ ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬১১

ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ‘গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার’ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ ও স্লোগান
শহরের টাউন হল ময়দান থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এটি মাইকপট্টি হয়ে চৌরাস্তা প্রদক্ষিণ করে দড়াটানা ভৈরব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল চলাকালে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেয়। এর মধ্যে ছিল:
* ‘গুলির মুখে কথা হবো, আমরা সবাই হাদি হবো’
* ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিব না’
* ‘সন্ত্রাস আর বাংলাদেশ একসাথে চলে না’
* ‘একশন একশন, ডাইরেক্ট একশন’
সমাবেশে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ
দড়াটানা ভৈরব চত্বরে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা হাদীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরদিনই এ ধরনের হামলা অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ। তাদের দাবি, হামলাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং এর সম্পূর্ণ দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর বর্তায়।
* নুরুজ্জামান, প্রধান সমন্বয়কারী, জাতীয় নাগরিক পার্টি যশোর: “হাদী জুলাই আন্দোলনের কণ্ঠস্বর। সেই কণ্ঠস্বর দমনে যারা হামলা চালিয়েছে তারা দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু। ক্ষমতার শক্তির চেয়ে জনগণের শক্তি অনেক বড়। আমরা আর কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখতে চাই না।”
* রাশেদ খান, সাবেক আহ্বায়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোর: “বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র চলছে। হাদীর ওপর হামলা সেই চক্রান্তেরই অংশ।”
২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
রাশেদ খান আরও বলেন, “নির্বাচন জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার। কোনোভাবেই তা ভণ্ডুল করতে দেওয়া হবে না। হাদীর ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা নাগরিক পার্টির সদস্য সালমান হাসান রাজিব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের সাবেক মুখ্য সংগঠক আল মামুন লিখন, ছাত্রনেতা ইমরান খান ও ফাহিম আল ফাত্তাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সর্বাধিক পঠিত

মন্দিরে নামযজ্ঞ চলাকালে মনিরামপুরে যুবককে কুপিয়ে জখম

শরিফ ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

আপডেট: ১০:৩৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ‘গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া ছাত্র-জনতার’ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
বিক্ষোভ ও স্লোগান
শহরের টাউন হল ময়দান থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এটি মাইকপট্টি হয়ে চৌরাস্তা প্রদক্ষিণ করে দড়াটানা ভৈরব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিল চলাকালে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেয়। এর মধ্যে ছিল:
* ‘গুলির মুখে কথা হবো, আমরা সবাই হাদি হবো’
* ‘হাদি ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিব না’
* ‘সন্ত্রাস আর বাংলাদেশ একসাথে চলে না’
* ‘একশন একশন, ডাইরেক্ট একশন’
সমাবেশে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ
দড়াটানা ভৈরব চত্বরে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা হাদীর ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
বক্তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরদিনই এ ধরনের হামলা অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ। তাদের দাবি, হামলাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত এবং এর সম্পূর্ণ দায় অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর বর্তায়।
* নুরুজ্জামান, প্রধান সমন্বয়কারী, জাতীয় নাগরিক পার্টি যশোর: “হাদী জুলাই আন্দোলনের কণ্ঠস্বর। সেই কণ্ঠস্বর দমনে যারা হামলা চালিয়েছে তারা দেশ ও গণতন্ত্রের শত্রু। ক্ষমতার শক্তির চেয়ে জনগণের শক্তি অনেক বড়। আমরা আর কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দেখতে চাই না।”
* রাশেদ খান, সাবেক আহ্বায়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোর: “বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সুষ্ঠু নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র চলছে। হাদীর ওপর হামলা সেই চক্রান্তেরই অংশ।”
২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম
রাশেদ খান আরও বলেন, “নির্বাচন জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার। কোনোভাবেই তা ভণ্ডুল করতে দেওয়া হবে না। হাদীর ওপর হামলার সঙ্গে জড়িতদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা নাগরিক পার্টির সদস্য সালমান হাসান রাজিব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের সাবেক মুখ্য সংগঠক আল মামুন লিখন, ছাত্রনেতা ইমরান খান ও ফাহিম আল ফাত্তাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।