০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে গণপিটুনিতে আহত শাহীনের পাঁচ দিন পর মৃত্যু

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬১৪

যশোরে চোর সন্দেহে গণপিটুনির শিকার শাহীনের মর্মান্তিক পরিণতি হলো। গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর, গতকাল সোমবার (২৪ নভেম্বর, ২০২৫) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত শাহীন শহরের কাঠালতলা ঘোষপাড়ার মৃত মজিবরের ছেলে। তার মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে শাহীনকে শহরের গরিবশাহ মাজারসংলগ্ন নদীর ধারে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি চোর সন্দেহে ধরে ফেলে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে বেধড়ক মারধর করে, যার ফলে তিনি গুরুতর জখম হন।
পরে, মাজারে উপস্থিত মিলন নামের এক ব্যক্তি শাহীনকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তাকে নিবিড় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানিয়েছেন, “বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
এই গণপিটুনির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ৪০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

যশোরে গণপিটুনিতে আহত শাহীনের পাঁচ দিন পর মৃত্যু

আপডেট: ০৫:২৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

যশোরে চোর সন্দেহে গণপিটুনির শিকার শাহীনের মর্মান্তিক পরিণতি হলো। গুরুতর আহত অবস্থায় পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর, গতকাল সোমবার (২৪ নভেম্বর, ২০২৫) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত শাহীন শহরের কাঠালতলা ঘোষপাড়ার মৃত মজিবরের ছেলে। তার মরদেহ বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ২০ মিনিটে শাহীনকে শহরের গরিবশাহ মাজারসংলগ্ন নদীর ধারে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি চোর সন্দেহে ধরে ফেলে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে বেধড়ক মারধর করে, যার ফলে তিনি গুরুতর জখম হন।
পরে, মাজারে উপস্থিত মিলন নামের এক ব্যক্তি শাহীনকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তাকে নিবিড় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল জানিয়েছেন, “বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
এই গণপিটুনির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।