ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বেসিক ব্যাংকে ১ হাজার ১৭৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগের অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
একই সঙ্গে নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং বেতন-ভাতার নামে অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে নিয়োগ, পদোন্নতি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নথি ও রেকর্ডপত্র চেয়ে বেসিক ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে দুদক। গত ২৬ জুলাই দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া-২) মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়।
দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথি ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করা প্রয়োজন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ১৭৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নাম, পদবি, নিয়োগ বা পদোন্নতির তারিখ এবং কর্মস্থলের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তাদের নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনপত্র, প্রার্থী তালিকা, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল এবং মেধাতালিকাও চেয়েছে দুদক।
নিয়োগ ও পদোন্নতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ, নির্বাহী কমিটি, মানবসম্পদ বিভাগ, নিয়োগ কমিটি, পদোন্নতি কমিটি অথবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সভার কার্যবিবরণীও চিঠিতে চাওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে এসব নিয়োগ ও পদোন্নতির সিদ্ধান্তের অনুমোদন, সুপারিশ এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানের মাধ্যমে এসব নিয়োগ ও পদোন্নতিতে প্রকৃতপক্ষে কোনো অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি বা আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে।
তবে অনুসন্ধান শুরুর অর্থ এই নয় যে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে। নথিপত্র যাচাই ও তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।




















