০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৪

বন্যা পরিস্থিতি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলায় বুধবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতার বাইরে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান বন্যা পরিস্থিতি এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার জেলা প্রশাসকদের পাঠানো প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থগিত হওয়া পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার বুধবারের নির্ধারিত সব বিষয়। এসব পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলা ছাড়া দেশের অন্যান্য সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি প্রথমে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল। পরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

পরীক্ষা শুরুর আগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রতিটি বিষয়ের জন্য তিন সেট করে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি না হয়।

সর্বাধিক পঠিত

পশ্চিমবঙ্গে কিশোরী ধর্ষণ-হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের গুলিতে নিহত

বন্যা ও বৈরী আবহাওয়ায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

আপডেট: ১০:৪৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বন্যা পরিস্থিতি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলায় বুধবার (৮ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতার বাইরে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত পরীক্ষাগুলো পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গভীর রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ-সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলমান বন্যা পরিস্থিতি এবং চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার জেলা প্রশাসকদের পাঠানো প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থগিত হওয়া পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষার বুধবারের নির্ধারিত সব বিষয়। এসব পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি পরে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলা ছাড়া দেশের অন্যান্য সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি প্রথমে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও কক্সবাজার জেলার পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল। পরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়েছে। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে প্রায় ১২ লাখ ৭০ হাজার নিয়মিত ও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

পরীক্ষা শুরুর আগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রতিটি বিষয়ের জন্য তিন সেট করে প্রশ্নপত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি না হয়।