০৬:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

শার্শায় মেয়ের উত্তরপত্র সংশোধনের অভিযোগে যশোরে প্রধান শিক্ষকসহ দুজন কারাগারে

যশোরের শার্শায় এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে এক প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন। শনিবার সকালে শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাদের আটক করা হয় এবং রাতেই মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সে বাগআঁচড়া কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা শেষে প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে গোপনে মেয়ের উত্তরপত্র সংগ্রহ করেন। পরে কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুল সংশোধন করে তা পুনরায় জমা দেওয়া হয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে তদন্ত চালান। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দুইজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান বলেন, তদন্তে অনৈতিক সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের স্বচ্ছতা ও পবিত্রতা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শনিবার সকালে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় শিক্ষার নৈতিকতা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।

শার্শার বসতপুরে পরকীয়ার জেরে প্রেমিককে হত্যা, বাড়ির মাটিতে লাশ গোপনের অভিযোগ

শার্শায় মেয়ের উত্তরপত্র সংশোধনের অভিযোগে যশোরে প্রধান শিক্ষকসহ দুজন কারাগারে

আপডেট: ০৩:১৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

যশোরের শার্শায় এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে এক প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন। শনিবার সকালে শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাদের আটক করা হয় এবং রাতেই মামলা দায়ের করা হয়।

তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে চলতি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সে বাগআঁচড়া কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

অভিযোগ রয়েছে, গত ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা শেষে প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে গোপনে মেয়ের উত্তরপত্র সংগ্রহ করেন। পরে কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুল সংশোধন করে তা পুনরায় জমা দেওয়া হয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে তদন্ত চালান। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় দুইজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান বলেন, তদন্তে অনৈতিক সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের স্বচ্ছতা ও পবিত্রতা রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শনিবার সকালে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় শিক্ষার নৈতিকতা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।