০৫:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

কুরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত—যে পশুতে কুরবানি শুদ্ধ হবে না

ইসলামে কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আদায় করা হয়। পবিত্র কুরআন-এ নামাজের পাশাপাশি কুরবানির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, “সুতরাং তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় কর এবং কুরবানি কর” (সুরা কাওসার: ২)।

আরেক আয়াতে কুরবানির পশু সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, এগুলো মানুষের জন্য কল্যাণকর এবং আল্লাহর নিদর্শন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন—কুরবানির পশুর গোশত বা রক্ত নয়, বরং বান্দার তাকওয়াই আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য (সুরা হজ: ৩৬-৩৭)।

কুরবানির পশুর শর্ত

কুরবানি শুদ্ধ হওয়ার জন্য পশুটি হতে হবে সুস্থ, সবল এবং দোষমুক্ত। বড় ধরনের শারীরিক ত্রুটি বা গুরুতর অসুস্থতা থাকলে সেই পশু দিয়ে কুরবানি আদায় সহিহ হবে না।

যে পশু সম্পূর্ণ অন্ধ এবং কিছুই দেখতে পায় না—এমন পশু কুরবানির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।যে পশু স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারে না বা পায়ে গুরুতর সমস্যা রয়েছে—তা কুরবানির উপযুক্ত নয়।
যে পশুর শরীরের কোনো অঙ্গ ভেঙে গেছে বা মারাত্মকভাবে আহত—এমন পশু কুরবানির অযোগ্য।
যে পশুর অধিকাংশ দাঁত পড়ে গেছে এবং খাবার চিবিয়ে খেতে পারে না—তা গ্রহণযোগ্য নয়।
যদি শিং গোড়া থেকে ভেঙে গিয়ে মস্তিষ্কে আঘাত লাগে, তাহলে সেই পশু দিয়ে কুরবানি শুদ্ধ হবে না। তবে আংশিক ভাঙা শিং বা জন্মগতভাবে শিং না থাকলে সমস্যা নেই।

যদি লেজ বা কানের অর্ধেক বা তার বেশি অংশ কাটা থাকে, তাহলে সেই পশু কুরবানির জন্য অযোগ্য। তবে জন্মগতভাবে ছোট কান থাকলে তা গ্রহণযোগ্য।

কুরবানি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও তাকওয়ার প্রকাশ। তাই নির্ধারিত শর্ত মেনে সঠিক পশু নির্বাচন করে কুরবানি আদায় করলে ইবাদতটি শুদ্ধ ও পরিপূর্ণ হয়।

যশোরে যুবদলের সংবাদ সম্মেলন: ‘মিথ্যা ও মানহানিকর প্রচারণার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ’

কুরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত—যে পশুতে কুরবানি শুদ্ধ হবে না

আপডেট: ০৪:০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ইসলামে কুরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে আদায় করা হয়। পবিত্র কুরআন-এ নামাজের পাশাপাশি কুরবানির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, “সুতরাং তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় কর এবং কুরবানি কর” (সুরা কাওসার: ২)।

আরেক আয়াতে কুরবানির পশু সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, এগুলো মানুষের জন্য কল্যাণকর এবং আল্লাহর নিদর্শন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন—কুরবানির পশুর গোশত বা রক্ত নয়, বরং বান্দার তাকওয়াই আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য (সুরা হজ: ৩৬-৩৭)।

কুরবানির পশুর শর্ত

কুরবানি শুদ্ধ হওয়ার জন্য পশুটি হতে হবে সুস্থ, সবল এবং দোষমুক্ত। বড় ধরনের শারীরিক ত্রুটি বা গুরুতর অসুস্থতা থাকলে সেই পশু দিয়ে কুরবানি আদায় সহিহ হবে না।

যে পশু সম্পূর্ণ অন্ধ এবং কিছুই দেখতে পায় না—এমন পশু কুরবানির জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।যে পশু স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারে না বা পায়ে গুরুতর সমস্যা রয়েছে—তা কুরবানির উপযুক্ত নয়।
যে পশুর শরীরের কোনো অঙ্গ ভেঙে গেছে বা মারাত্মকভাবে আহত—এমন পশু কুরবানির অযোগ্য।
যে পশুর অধিকাংশ দাঁত পড়ে গেছে এবং খাবার চিবিয়ে খেতে পারে না—তা গ্রহণযোগ্য নয়।
যদি শিং গোড়া থেকে ভেঙে গিয়ে মস্তিষ্কে আঘাত লাগে, তাহলে সেই পশু দিয়ে কুরবানি শুদ্ধ হবে না। তবে আংশিক ভাঙা শিং বা জন্মগতভাবে শিং না থাকলে সমস্যা নেই।

যদি লেজ বা কানের অর্ধেক বা তার বেশি অংশ কাটা থাকে, তাহলে সেই পশু কুরবানির জন্য অযোগ্য। তবে জন্মগতভাবে ছোট কান থাকলে তা গ্রহণযোগ্য।

কুরবানি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও তাকওয়ার প্রকাশ। তাই নির্ধারিত শর্ত মেনে সঠিক পশু নির্বাচন করে কুরবানি আদায় করলে ইবাদতটি শুদ্ধ ও পরিপূর্ণ হয়।