০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৭

আসন্ন সফরকে সামনে রেখে তারেক রহমান-এর আগমন উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশীতে অবস্থিত ঐতিহাসিক জিয়া খাল পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর দেড়টার দিকে তিনি খাল এলাকায় পৌঁছে বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং চলমান পুনঃখনন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাল পুনঃখনন কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এটি একটি বৃহৎ জাতীয় পরিকল্পনার অংশ। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ১০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এর অংশ হিসেবে উলাশীর ঐতিহাসিক যদুনাথপুর খালের পুনঃখনন কাজও এগিয়ে চলছে। আগামী ২৭ এপ্রিল এ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর সময়ে যারা খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই এখনো জীবিত রয়েছেন। তাই আগামী ২৭ এপ্রিল তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এসময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী উলাশীতে এসে জিয়া খাল পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে উপস্থিত থেকে এই খাল খনন কার্যক্রমের সূচনা করেছিলেন, যা পরবর্তীতে দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন অবহেলায় খালগুলো শুকিয়ে গেছে এবং পূর্ববর্তী সরকার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করেনি। পাশাপাশি খালের জায়গা দখল করে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের অভিযোগও তোলেন তিনি। এ অবস্থায় গুচ্ছগ্রাম অন্যত্র স্থানান্তর করে খাল ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো সংস্কারের মাধ্যমে একটি পর্যটন বা পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানান।
পরিদর্শনকালে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান খাল পুনঃখননের অগ্রগতি ও স্থানীয় জনগণের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

আপডেট: ০৯:০০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন সফরকে সামনে রেখে তারেক রহমান-এর আগমন উপলক্ষে যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশীতে অবস্থিত ঐতিহাসিক জিয়া খাল পরিদর্শন করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার (১১ এপ্রিল ২০২৬) দুপুর দেড়টার দিকে তিনি খাল এলাকায় পৌঁছে বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং চলমান পুনঃখনন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাল পুনঃখনন কার্যক্রম ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং এটি একটি বৃহৎ জাতীয় পরিকল্পনার অংশ। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ১০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের একটি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এর অংশ হিসেবে উলাশীর ঐতিহাসিক যদুনাথপুর খালের পুনঃখনন কাজও এগিয়ে চলছে। আগামী ২৭ এপ্রিল এ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর সময়ে যারা খাল খনন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন, তাদের অনেকেই এখনো জীবিত রয়েছেন। তাই আগামী ২৭ এপ্রিল তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এসময় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ নুরুজ্জামান লিটন বলেন, আগামী ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী উলাশীতে এসে জিয়া খাল পুনঃখনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজে উপস্থিত থেকে এই খাল খনন কার্যক্রমের সূচনা করেছিলেন, যা পরবর্তীতে দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন অবহেলায় খালগুলো শুকিয়ে গেছে এবং পূর্ববর্তী সরকার যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করেনি। পাশাপাশি খালের জায়গা দখল করে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের অভিযোগও তোলেন তিনি। এ অবস্থায় গুচ্ছগ্রাম অন্যত্র স্থানান্তর করে খাল ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো সংস্কারের মাধ্যমে একটি পর্যটন বা পিকনিক স্পট হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানান।
পরিদর্শনকালে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান খাল পুনঃখননের অগ্রগতি ও স্থানীয় জনগণের সম্ভাব্য উপকারিতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এসময় যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবিরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।