যশোর শহরের নীলগঞ্জ এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভোজ্য তেল অবৈধভাবে মজুত রাখার দায়ে ‘মেসার্স নওয়াব মিলস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে র্যাব-৬ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এ জরিমানা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, মিলটিতে মোট ৪৩ হাজার ৬৫৬ লিটার সয়াবিন, পাম ও সুপার তেল মজুত রাখা হয়েছিল, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮০ লাখ ৯৪ হাজার ৭২০ টাকা। এর মধ্যে ১৭ হাজার ১৩৬ লিটার সয়াবিন তেল, ১৮ হাজার ৩৬০ লিটার পাম অয়েল এবং ৪ হাজার ১৬০ লিটার সুপার তেল পাওয়া যায়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিষ্ঠানটি তেল মজুত করার পাশাপাশি ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ করেনি এবং পণ্যের মূল্য তালিকাও প্রদর্শন করেনি। এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় মিলটির মালিক হাসিব ইমামকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন র্যাব-৬ যশোরের অধিনায়ক মেজর ফজলে রাব্বি এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান। এ সময় মজুতকৃত তেল দ্রুত বাজারে সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ না করার অঙ্গীকারে মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
কর্তৃপক্ষ জানায়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।




















