০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

যশোরে যুবদল নেতাদের নামে অপপ্রচার ও ব্ল্যাকমেইল: সাবেক নেতার বিরুদ্ধে থানায় ২ মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৩

যশোর জেলা যুবদলের শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুৎসা রটনা, ব্ল্যাকমেইল এবং জীবননাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক এক নেতার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দুটি দায়ের করেছেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এ কে আজাদ তমাল ও সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা।
মামলায় অভিযুক্ত এস্কেন্দার আলী জনি যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম মানিকের ছেলে এবং জেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এস্কেন্দার আলী জনি একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে মাদকাসক্তি ও দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন।
বাদীদের অভিযোগ অনুযায়ী:
:** জনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ‘Skean Dar Ali Jony’ ছাড়াও ‘Saiful Islam Rana’ এবং ‘Shitab Ashhab Chowdhury’-সহ একাধিক ভুয়া প্রোফাইল ব্যবহার করে মানহানিকর পোস্ট ও লাইভ ভিডিও প্রচার করে আসছিলেন।
গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকালে অভিযুক্ত জনি তার আইডি থেকে ফেসবুক লাইভে এসে নেতাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ এবং ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করেন।
* এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনি ও তার সহযোগীরা মিলে নেতাদের ব্ল্যাকমেইল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তাদের সামাজিকভাবে হেয় করতে লিপ্ত রয়েছেন। এমনকি নেতাদের জীবননাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।

মামলা দায়েরের সময় বাদিপক্ষ ডিজিটাল প্রমাণ হিসেবে বিতর্কিত ভিডিও সংবলিত পেনড্রাইভ এবং ফেসবুক পোস্টের অসংখ্য স্ক্রিনশট পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দুটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্ত এস্কেন্দার আলী জনিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
বর্তমানে অভিযুক্ত জনি ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। এদিকে, দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এই কুরুচিপূর্ণ প্রচারণার ঘটনায় স্থানীয় যুবদল ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সর্বাধিক পঠিত

সংরক্ষিত নারী আসনে ১৩ প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, জামায়াত-নেতৃত্বাধীন ১১ দলের ঘোষণা

যশোরে যুবদল নেতাদের নামে অপপ্রচার ও ব্ল্যাকমেইল: সাবেক নেতার বিরুদ্ধে থানায় ২ মামলা

আপডেট: ১০:৪০:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

যশোর জেলা যুবদলের শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুৎসা রটনা, ব্ল্যাকমেইল এবং জীবননাশের হুমকির অভিযোগে সাবেক এক নেতার বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দুটি দায়ের করেছেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এ কে আজাদ তমাল ও সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা।
মামলায় অভিযুক্ত এস্কেন্দার আলী জনি যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম মানিকের ছেলে এবং জেলা যুবদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, এস্কেন্দার আলী জনি একসময় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে মাদকাসক্তি ও দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত অপপ্রচার চালিয়ে আসছিলেন।
বাদীদের অভিযোগ অনুযায়ী:
:** জনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ‘Skean Dar Ali Jony’ ছাড়াও ‘Saiful Islam Rana’ এবং ‘Shitab Ashhab Chowdhury’-সহ একাধিক ভুয়া প্রোফাইল ব্যবহার করে মানহানিকর পোস্ট ও লাইভ ভিডিও প্রচার করে আসছিলেন।
গত ১ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সকালে অভিযুক্ত জনি তার আইডি থেকে ফেসবুক লাইভে এসে নেতাদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত মিথ্যা, কুরুচিপূর্ণ এবং ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করেন।
* এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনি ও তার সহযোগীরা মিলে নেতাদের ব্ল্যাকমেইল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন এবং তাদের সামাজিকভাবে হেয় করতে লিপ্ত রয়েছেন। এমনকি নেতাদের জীবননাশের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগে জানানো হয়।

মামলা দায়েরের সময় বাদিপক্ষ ডিজিটাল প্রমাণ হিসেবে বিতর্কিত ভিডিও সংবলিত পেনড্রাইভ এবং ফেসবুক পোস্টের অসংখ্য স্ক্রিনশট পুলিশের কাছে জমা দিয়েছেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দুটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্ত এস্কেন্দার আলী জনিকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
বর্তমানে অভিযুক্ত জনি ঢাকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে। এদিকে, দলের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে এই কুরুচিপূর্ণ প্রচারণার ঘটনায় স্থানীয় যুবদল ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।