১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

চৌগাছা পৌরসভায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টেন্ডার ছাড়াই গোডাউন নির্মাণ: ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় ঠিকাদাররা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২৩

যশোরের চৌগাছা পৌরসভায় কোনো প্রকার টেন্ডার বা কোটেশন ছাড়াই পৌরসভার গোডাউন নির্মাণের কাজ শুরু করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে কোনো বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই গোপনে পছন্দের ঠিকাদারকে প্রায় ১২ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ ঠিকাদারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে ‘বদরুল আমিন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পৌরসভার এই গোডাউন নির্মাণের কাজ পরিচালনা করছে। পিপিআর (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস) অনুযায়ী, পৌরসভার যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজের জন্য স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ অথবা অন্তত পৌরসভার নোটিশ বোর্ডে কোটেশন আহ্বান করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে কোনো নিয়মই মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ঠিকাদারদের দাবি, মোটা অঙ্কের অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে পৌর কর্তৃপক্ষ গোপনে তাদের ঘনিষ্ঠ বা পছন্দের মানুষকে কাজটি করার সুযোগ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী এস এম রুহুল আমিন দাবি করেন, সরকারি আইন মেনেই কোটেশনের মাধ্যমে কাজ দেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কোন তারিখে বা কোন পত্রিকায় এই কাজের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল, তার কোনো সদুত্তর বা সঠিক তথ্য তিনি দিতে পারেননি।
অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বদরুল আমিন কাজটি করার সত্যতা স্বীকার করলেও টেন্ডার প্রক্রিয়ার বৈধতা বা কার্যাদেশ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে ব্যর্থ হন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন অপারগতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ফারজানা ইসলাম বলেন, “এই প্রকল্পের বিষয়ে বা টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে আমার কাছে আগে থেকে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এবং কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পৌরসভার উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও বঞ্চিত ঠিকাদাররা।

সর্বাধিক পঠিত

শরীয়তপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মসজিদের ইমাম আটক

চৌগাছা পৌরসভায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে টেন্ডার ছাড়াই গোডাউন নির্মাণ: ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় ঠিকাদাররা

আপডেট: ০৮:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের চৌগাছা পৌরসভায় কোনো প্রকার টেন্ডার বা কোটেশন ছাড়াই পৌরসভার গোডাউন নির্মাণের কাজ শুরু করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে কোনো বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই গোপনে পছন্দের ঠিকাদারকে প্রায় ১২ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ পাইয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ ঠিকাদারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে ‘বদরুল আমিন এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পৌরসভার এই গোডাউন নির্মাণের কাজ পরিচালনা করছে। পিপিআর (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস) অনুযায়ী, পৌরসভার যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজের জন্য স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ অথবা অন্তত পৌরসভার নোটিশ বোর্ডে কোটেশন আহ্বান করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে কোনো নিয়মই মানা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ঠিকাদারদের দাবি, মোটা অঙ্কের অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে পৌর কর্তৃপক্ষ গোপনে তাদের ঘনিষ্ঠ বা পছন্দের মানুষকে কাজটি করার সুযোগ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী এস এম রুহুল আমিন দাবি করেন, সরকারি আইন মেনেই কোটেশনের মাধ্যমে কাজ দেওয়া হয়েছে। তবে ঠিক কোন তারিখে বা কোন পত্রিকায় এই কাজের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল, তার কোনো সদুত্তর বা সঠিক তথ্য তিনি দিতে পারেননি।
অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বদরুল আমিন কাজটি করার সত্যতা স্বীকার করলেও টেন্ডার প্রক্রিয়ার বৈধতা বা কার্যাদেশ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দিতে ব্যর্থ হন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাইলে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন অপারগতা প্রকাশ করেন।

এ বিষয়ে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক ফারজানা ইসলাম বলেন, “এই প্রকল্পের বিষয়ে বা টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে আমার কাছে আগে থেকে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এবং কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
পৌরসভার উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও বঞ্চিত ঠিকাদাররা।