১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

এক রাতে ৩৭ পেট্রোল পাম্পে হামলা: আতঙ্কে মালিকরা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৫৭

দেশজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে এক ভয়াবহ নাশকতার চিত্র ফুটে উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৩৭টি পেট্রোল পাম্পে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের এই অতর্কিত হামলায় পাম্প মালিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

পাম্প মালিক সমিতির দেওয়া তথ্যমতে, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল ও ট্রাকে করে এসে পাম্পগুলোতে হামলা চালায়। তারা পাম্পের নজল, মিটার এবং ক্যাশ কাউন্টার লক্ষ্য করে ভাঙচুর চালায়। বেশ কিছু জায়গায় পাম্পের কর্মীদের মারধর করারও খবর পাওয়া গেছে।
পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে এতগুলো পাম্পে হামলার ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে। জ্বালানি সংকটের সুযোগ নিয়ে কোনো গোষ্ঠী দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে বলে তারা ধারণা করছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, “এক রাতে ৩৭টি পাম্পে হামলা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। আমরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এভাবে হামলা চললে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা পাম্প বন্ধ রাখতে বাধ্য হব। সরকার যেখানে ব্যয় সংকোচনের চেষ্টা করছে, সেখানে এমন নাশকতা আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকিয়ে দিয়েছে।”

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট চলছে। সরকার ইতিমধ্যে ব্যাংকিং সময়সূচি পরিবর্তন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের মতো ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সংকটের মুহূর্তে পাম্পগুলোতে হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
: হামলার শিকার পাম্পগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা ও পাম্পগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই হামলার ঘটনার পর অনেক পাম্প মালিক সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে সকালে বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে পরিবহন খাতে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সর্বাধিক পঠিত

ইসরাফিল সরদারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি, বেনাপোলে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

এক রাতে ৩৭ পেট্রোল পাম্পে হামলা: আতঙ্কে মালিকরা

আপডেট: ০৭:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে এক ভয়াবহ নাশকতার চিত্র ফুটে উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৩৭টি পেট্রোল পাম্পে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের এই অতর্কিত হামলায় পাম্প মালিকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

পাম্প মালিক সমিতির দেওয়া তথ্যমতে, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল ও ট্রাকে করে এসে পাম্পগুলোতে হামলা চালায়। তারা পাম্পের নজল, মিটার এবং ক্যাশ কাউন্টার লক্ষ্য করে ভাঙচুর চালায়। বেশ কিছু জায়গায় পাম্পের কর্মীদের মারধর করারও খবর পাওয়া গেছে।
পাম্প মালিকরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করে এতগুলো পাম্পে হামলার ঘটনা পরিকল্পিত হতে পারে। জ্বালানি সংকটের সুযোগ নিয়ে কোনো গোষ্ঠী দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে বলে তারা ধারণা করছেন।

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, “এক রাতে ৩৭টি পাম্পে হামলা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। আমরা জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এভাবে হামলা চললে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা পাম্প বন্ধ রাখতে বাধ্য হব। সরকার যেখানে ব্যয় সংকোচনের চেষ্টা করছে, সেখানে এমন নাশকতা আমাদের পিঠ দেওয়ালে ঠেকিয়ে দিয়েছে।”

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট চলছে। সরকার ইতিমধ্যে ব্যাংকিং সময়সূচি পরিবর্তন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাসের মতো ব্যয় সংকোচনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সংকটের মুহূর্তে পাম্পগুলোতে হামলার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনেও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
: হামলার শিকার পাম্পগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা ও পাম্পগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই হামলার ঘটনার পর অনেক পাম্প মালিক সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। এর ফলে সকালে বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে পরিবহন খাতে বড় ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।