০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আমিরাতের গ্যাসক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ড ও কুয়েতের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৪০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৯

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতেও। আমিরাতের অন্যতম প্রধান গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র ‘হাবশান গ্যাস কমপ্লেক্স’ এবং কুয়েতের বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার আলজাজিরা ও রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, হাবশান গ্যাস কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন দিয়ে আঘাত হানার চেষ্টা করা হয়। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও বিপদ পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। একটি প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ গ্যাসক্ষেত্রের ওপর আছড়ে পড়লে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
নিরাপত্তা পদক্ষেপ:
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে গ্যাসক্ষেত্রের সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কর্তৃপক্ষ দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
কুয়েতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও তেল শোধনাগারে হামলা
এদিকে কুয়েতেও একের পর এক কৌশলগত স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরের আগে কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হামলাকারীরা। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভোরে কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি তেল শোধনাগার ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা জানায়:
* হামলায় শোধনাগারের একাধিক ইউনিটে আগুন ধরে যায়।
* কোনো কর্মী হতাহত হননি এবং দমকল বাহিনী দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
* পরিবেশ সংস্থাগুলো আশপাশের বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করছে। তবে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর গুজব নাকচ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
একই দিনে আমিরাত ও কুয়েতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার ঘটনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব হামলার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

এক রাতে ৩৭ পেট্রোল পাম্পে হামলা: আতঙ্কে মালিকরা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আমিরাতের গ্যাসক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ড ও কুয়েতের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা

আপডেট: ০৭:৪০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতেও। আমিরাতের অন্যতম প্রধান গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র ‘হাবশান গ্যাস কমপ্লেক্স’ এবং কুয়েতের বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার আলজাজিরা ও রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আবুধাবি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, হাবশান গ্যাস কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন দিয়ে আঘাত হানার চেষ্টা করা হয়। দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব হামলা প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও বিপদ পুরোপুরি এড়ানো যায়নি। একটি প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ গ্যাসক্ষেত্রের ওপর আছড়ে পড়লে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
নিরাপত্তা পদক্ষেপ:
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে গ্যাসক্ষেত্রের সব ধরনের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
কর্তৃপক্ষ দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
কুয়েতে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও তেল শোধনাগারে হামলা
এদিকে কুয়েতেও একের পর এক কৌশলগত স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার দুপুরের আগে কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ প্ল্যান্টে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় হামলাকারীরা। তবে এই হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ভোরে কুয়েতের মিনা আল-আহমাদি তেল শোধনাগার ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কুনা জানায়:
* হামলায় শোধনাগারের একাধিক ইউনিটে আগুন ধরে যায়।
* কোনো কর্মী হতাহত হননি এবং দমকল বাহিনী দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
* পরিবেশ সংস্থাগুলো আশপাশের বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করছে। তবে তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর গুজব নাকচ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
একই দিনে আমিরাত ও কুয়েতের মতো গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে হামলার ঘটনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এসব হামলার ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।