০৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শন করলেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির ৩০ সদস্যের প্রতিনিধি দল

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৫১১

দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরের বাণিজ্য ও ভ্রমণ সেবা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির মহাপরিচালক ইকবাল আহমেদ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে তার নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি ৩০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ
দুপুর ২টার দিকে প্রতিনিধি দলটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানানো হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সেবামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
* নব্য নির্মিত কার্গো ভেহিকেল টার্মিনাল।
* কাস্টমস হাউসের শুল্কায়ন প্রক্রিয়া।
* ইমিগ্রেশনের যাত্রীসেবা কার্যক্রম।

পরিদর্শন শেষে বেনাপোল স্থলবন্দরের কনফারেন্স রুমে একটি সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর পরিচালক মোঃ শামীম হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমির মহাপরিচালক মোঃ ইকবাল আহমেদ।
এই সেশনটি মূলত ‘বিশেষায়িত কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ কোর্স’ (STDC) এবং ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতিতে পেশাদার মাস্টার্স’ প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারীদের জন্য আয়োজন করা হয়। ব্রিফিংয়ে বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
দিলওয়ারা মুন, পরিচালক, বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমি।
নিয়াজ মাখদুম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, শার্শা।
রুবেল আহমেদ, যুগ্ম কমিশনার, বেনাপোল কাস্টমস।
অতুল গোস্বামী, সহকারী কমিশনার, বেনাপোল কাস্টমস।
মোঃ সহিদ আলী, সাধারণ সম্পাদক, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)।
প্রতিনিধি দলে ৬ জন বিদেশি প্রশিক্ষণার্থীসহ মোট ৩০ জন সদস্য অংশ নেন।
অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের গুরুত্ব
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এক বিশাল অংশ এই বন্দরের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। প্রতিদিন হাজার হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী চিকিৎসা, ব্যবসা ও উচ্চশিক্ষার জন্য এই বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত করেন।
বর্তমানে এই বন্দর থেকে আমদানি বাণিজ্যে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা এবং ভ্রমণ খাত থেকে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জিত হচ্ছে, যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে এক অনন্য ও শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরুষকার বিতরণ

বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শন করলেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির ৩০ সদস্যের প্রতিনিধি দল

আপডেট: ০৭:০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দেশের বৃহত্তম বেনাপোল স্থলবন্দরের বাণিজ্য ও ভ্রমণ সেবা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ফরেন সার্ভিস একাডেমির মহাপরিচালক ইকবাল আহমেদ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ, ২০২৬) দুপুরে তার নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি ৩০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ
দুপুর ২টার দিকে প্রতিনিধি দলটি বেনাপোল বন্দরে পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানানো হয়। পরিদর্শনকালে প্রতিনিধি দল বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সেবামূলক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
* নব্য নির্মিত কার্গো ভেহিকেল টার্মিনাল।
* কাস্টমস হাউসের শুল্কায়ন প্রক্রিয়া।
* ইমিগ্রেশনের যাত্রীসেবা কার্যক্রম।

পরিদর্শন শেষে বেনাপোল স্থলবন্দরের কনফারেন্স রুমে একটি সংক্ষিপ্ত ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। বন্দর পরিচালক মোঃ শামীম হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমির মহাপরিচালক মোঃ ইকবাল আহমেদ।
এই সেশনটি মূলত ‘বিশেষায়িত কূটনৈতিক প্রশিক্ষণ কোর্স’ (STDC) এবং ‘আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতিতে পেশাদার মাস্টার্স’ প্রোগ্রামের অংশগ্রহণকারীদের জন্য আয়োজন করা হয়। ব্রিফিংয়ে বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম, চ্যালেঞ্জ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
দিলওয়ারা মুন, পরিচালক, বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমি।
নিয়াজ মাখদুম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, শার্শা।
রুবেল আহমেদ, যুগ্ম কমিশনার, বেনাপোল কাস্টমস।
অতুল গোস্বামী, সহকারী কমিশনার, বেনাপোল কাস্টমস।
মোঃ সহিদ আলী, সাধারণ সম্পাদক, বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন (৯২৫)।
প্রতিনিধি দলে ৬ জন বিদেশি প্রশিক্ষণার্থীসহ মোট ৩০ জন সদস্য অংশ নেন।
অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের গুরুত্ব
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের এক বিশাল অংশ এই বন্দরের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়। প্রতিদিন হাজার হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী চিকিৎসা, ব্যবসা ও উচ্চশিক্ষার জন্য এই বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত করেন।
বর্তমানে এই বন্দর থেকে আমদানি বাণিজ্যে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা এবং ভ্রমণ খাত থেকে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জিত হচ্ছে, যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে এক অনন্য ও শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে।