০১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

যশোরে বাউল সুরের মুর্ছনায় নাট্য উৎসবের সমাপ্তি: মঞ্চস্থ হলো ৫টি নাটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৬

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী নাট্য উৎসব। রবিবার রাতে শহরের টাউন হল ময়দানের ঐতিহাসিক রওশন আলী মঞ্চে বাউল সংগীতের মোহনীয় সুরের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের পর্দা নামে। গত ২৭ মার্চ ‘বিশ্বনাট্য দিবস’ উপলক্ষে নাট্য উৎসব উদযাপন পর্ষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।

উৎসবের শেষ দিনে বৃষ্টি হানা দিলেও নাট্যকর্মী ও দর্শকদের উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে নাট্যপ্রেমীরা অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান করেন। সমাপনী রজনীতে মোট ৫টি নাটক মঞ্চস্থ হয়:
* এবং সাবধান: রচয়িতা কবি কাসেদুজ্জামান সেলিম।
* জীবন: নির্দেশনায় আবুল হাসান তুহিন।
* মানুষ: নির্দেশনায় হারুন আল আজীজ।
* বৈতংমিক: থিয়েটার ক্যানভাস পরিবেশিত, নির্দেশনায় কামরুল হাসান রিপন।
* ধাঁধার পালা: শিল্পাঙ্গন পরিবেশিত, রচনা ও নির্দেশনায় প্রবাসী হাসান।
সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ও বাউল সংগীত
নাটক শেষে রওশন আলী মঞ্চের বটতলায় শুরু হয় বাউল গানের আসর। যশোরের স্থানীয় বাউল শিল্পীদের একের পর এক মনমাতানো পরিবেশনায় মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শকেরা। পুরো উৎসব প্রাঙ্গণ সাংস্কৃতিক কর্মীদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

নাট্য উৎসবের আহ্বায়ক নওরোজ আলম খান চপল তাঁর বক্তব্যে নাটকের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
“মঞ্চ নাটক কেবল বিনোদন নয়, এটি সমাজের অসংগতি, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কুসংস্কার সাহসিকতার সাথে তুলে ধরে। দেশের সংস্কৃতিকে জাগ্রত রাখতে আগামী বছরও এই উৎসবের আয়োজন করা হবে।”

বিশ্বনাট্য দিবসকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চা এবং নাট্যপ্রেমীদের মধ্যে প্রাণের স্পন্দন জাগিয়ে তোলা। কয়েকদিন ধরে চলা এই আয়োজনে যশোরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ধ্বংসস্তূপে পরিণত: ঝুঁকিতে জনসাধারণ, দ্রুত সংস্কারের দাবি

যশোরে বাউল সুরের মুর্ছনায় নাট্য উৎসবের সমাপ্তি: মঞ্চস্থ হলো ৫টি নাটক

আপডেট: ০৯:০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো তিন দিনব্যাপী নাট্য উৎসব। রবিবার রাতে শহরের টাউন হল ময়দানের ঐতিহাসিক রওশন আলী মঞ্চে বাউল সংগীতের মোহনীয় সুরের মধ্য দিয়ে এই উৎসবের পর্দা নামে। গত ২৭ মার্চ ‘বিশ্বনাট্য দিবস’ উপলক্ষে নাট্য উৎসব উদযাপন পর্ষদ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল।

উৎসবের শেষ দিনে বৃষ্টি হানা দিলেও নাট্যকর্মী ও দর্শকদের উৎসাহে কোনো ভাটা পড়েনি। প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে নাট্যপ্রেমীরা অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান করেন। সমাপনী রজনীতে মোট ৫টি নাটক মঞ্চস্থ হয়:
* এবং সাবধান: রচয়িতা কবি কাসেদুজ্জামান সেলিম।
* জীবন: নির্দেশনায় আবুল হাসান তুহিন।
* মানুষ: নির্দেশনায় হারুন আল আজীজ।
* বৈতংমিক: থিয়েটার ক্যানভাস পরিবেশিত, নির্দেশনায় কামরুল হাসান রিপন।
* ধাঁধার পালা: শিল্পাঙ্গন পরিবেশিত, রচনা ও নির্দেশনায় প্রবাসী হাসান।
সাংস্কৃতিক মিলনমেলা ও বাউল সংগীত
নাটক শেষে রওশন আলী মঞ্চের বটতলায় শুরু হয় বাউল গানের আসর। যশোরের স্থানীয় বাউল শিল্পীদের একের পর এক মনমাতানো পরিবেশনায় মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শকেরা। পুরো উৎসব প্রাঙ্গণ সাংস্কৃতিক কর্মীদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

নাট্য উৎসবের আহ্বায়ক নওরোজ আলম খান চপল তাঁর বক্তব্যে নাটকের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
“মঞ্চ নাটক কেবল বিনোদন নয়, এটি সমাজের অসংগতি, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কুসংস্কার সাহসিকতার সাথে তুলে ধরে। দেশের সংস্কৃতিকে জাগ্রত রাখতে আগামী বছরও এই উৎসবের আয়োজন করা হবে।”

বিশ্বনাট্য দিবসকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চা এবং নাট্যপ্রেমীদের মধ্যে প্রাণের স্পন্দন জাগিয়ে তোলা। কয়েকদিন ধরে চলা এই আয়োজনে যশোরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল।