০৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

চুয়াডাঙ্গায় নারীকে টোপ দিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ: নারীসহ গ্রেপ্তার ৬

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬১

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এক নারীকে কৌশলে অপহরণ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি ও দলবদ্ধ ধর্ষণের লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী এক নারীসহ মোট ৬ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও অপহরণ
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সদর উপজেলার সাতগাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম নারীর সঙ্গে প্রতিবেশী কবিতা (৩০) সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত ২৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে ঘুরতে যাওয়ার নাম করে ভিকটিমকে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নিয়ে আসেন কবিতা। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন কবিতার খালাতো ভাই আব্দুস সালাম। তারা কৌশলে ভিকটিমকে একটি ইজিবাইকে করে আলমডাঙ্গার খাদিমপুর গ্রামের নির্জন মাঠের দিকে নিয়ে যান।

খাদিমপুর বেলেদারী মাঠের কাছে পৌঁছে ইজিবাইক বিদায় করে দিয়ে আসামিরা ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এরপর জনৈক খসরুর আমবাগানে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলীর সহযোগিতায় আদম আলী ও মিজান ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। নির্যাতনের পর ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ভিকটিমকে পুনরায় শহরে নামিয়ে দিয়ে আসা হয়।

অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরে ভিকটিম তার স্বামীকে সব খুলে বলেন এবং আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পরপরই পুলিশ সুপার দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। আজ ২৮ মার্চ ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে নিজ নিজ এলাকা থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
কবিতা (পরিকল্পনাকারী)
* মিজান ও আদম আলী (ধর্ষণকারী)
* সামাদ আলী, শাহজাহান ও আব্দুস সালাম (সহযোগি)
> পুলিশ সুপারের বক্তব্য: > “ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালাই। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মূল পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ এ ধরনের অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।”

সর্বাধিক পঠিত

ইসরাফিল সরদারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি, বেনাপোলে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

চুয়াডাঙ্গায় নারীকে টোপ দিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ: নারীসহ গ্রেপ্তার ৬

আপডেট: ০৯:৪৪:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এক নারীকে কৌশলে অপহরণ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি ও দলবদ্ধ ধর্ষণের লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী এক নারীসহ মোট ৬ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও অপহরণ
মামলার এজাহার অনুযায়ী, সদর উপজেলার সাতগাড়ী গ্রামের বাসিন্দা ভিকটিম নারীর সঙ্গে প্রতিবেশী কবিতা (৩০) সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত ২৫ মার্চ রাত ১০টার দিকে ঘুরতে যাওয়ার নাম করে ভিকটিমকে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারে নিয়ে আসেন কবিতা। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিলেন কবিতার খালাতো ভাই আব্দুস সালাম। তারা কৌশলে ভিকটিমকে একটি ইজিবাইকে করে আলমডাঙ্গার খাদিমপুর গ্রামের নির্জন মাঠের দিকে নিয়ে যান।

খাদিমপুর বেলেদারী মাঠের কাছে পৌঁছে ইজিবাইক বিদায় করে দিয়ে আসামিরা ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। এরপর জনৈক খসরুর আমবাগানে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে আব্দুস সালাম, শাহজাহান ও সামাদ আলীর সহযোগিতায় আদম আলী ও মিজান ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। নির্যাতনের পর ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ভিকটিমকে পুনরায় শহরে নামিয়ে দিয়ে আসা হয়।

অসুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরে ভিকটিম তার স্বামীকে সব খুলে বলেন এবং আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলা হওয়ার পরপরই পুলিশ সুপার দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। আজ ২৮ মার্চ ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালিয়ে নিজ নিজ এলাকা থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:
কবিতা (পরিকল্পনাকারী)
* মিজান ও আদম আলী (ধর্ষণকারী)
* সামাদ আলী, শাহজাহান ও আব্দুস সালাম (সহযোগি)
> পুলিশ সুপারের বক্তব্য: > “ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অভিযান চালাই। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মূল পরিকল্পনাকারীসহ জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ এ ধরনের অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে।”