০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নড়াইলে নিখোঁজের ৩৮ দিন পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল গৃহবধূর গলিত মরদেহ:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৪

নড়াইলের কালিয়ায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সুমি ওরফে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘাতক স্বামী আল-আমীন মন্ডল স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ গুম করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন।
নিহত সুমি লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি গ্রামের আজমল মোল্যার মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুর (৪২) কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুমি। পরদিন ২০ ডিসেম্বর তার ভাই সাকিব কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ স্বামী আল-আমীনের সম্পৃক্ততা খুঁজে পায়। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং মরদেহের অবস্থান নিশ্চিত করেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আল-আমীন কোনো কাজ করতেন না এবং স্ত্রীর জমানো টাকায় চলতেন। এছাড়া তার একাধিক অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। এসবের প্রতিবাদ করায় সুমির ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। তাদের ধারণা, পরকীয়া ও অর্থ আত্মসাতের পথ পরিষ্কার করতেই সুমিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী জানান, “নিখোঁজের জিডির সূত্র ধরে ছায়া তদন্তে স্বামীর জড়িত থাকার অকাট্য প্রমাণ মেলে। আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

নড়াইলে নিখোঁজের ৩৮ দিন পর সেপটিক ট্যাংকে মিলল গৃহবধূর গলিত মরদেহ:

আপডেট: ১১:৪৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

নড়াইলের কালিয়ায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সুমি ওরফে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ঘাতক স্বামী আল-আমীন মন্ডল স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ গুম করার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন।
নিহত সুমি লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি গ্রামের আজমল মোল্যার মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুর (৪২) কালিয়া উপজেলার শুক্তগ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুমি। পরদিন ২০ ডিসেম্বর তার ভাই সাকিব কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ স্বামী আল-আমীনের সম্পৃক্ততা খুঁজে পায়। মঙ্গলবার বিকেলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং মরদেহের অবস্থান নিশ্চিত করেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, আল-আমীন কোনো কাজ করতেন না এবং স্ত্রীর জমানো টাকায় চলতেন। এছাড়া তার একাধিক অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। এসবের প্রতিবাদ করায় সুমির ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। তাদের ধারণা, পরকীয়া ও অর্থ আত্মসাতের পথ পরিষ্কার করতেই সুমিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী জানান, “নিখোঁজের জিডির সূত্র ধরে ছায়া তদন্তে স্বামীর জড়িত থাকার অকাট্য প্রমাণ মেলে। আসামির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা