১০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৭

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন।** ইস্তাম্বুলে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটরশোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ম্যানহাটনের হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিউইয়র্কে বিএনপির নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিমানবন্দর ও হোটেলসংলগ্ন এলাকায় জড়ো হন। তাঁদের হাতে ছিল ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন। বিভিন্ন স্লোগানের মধ্য দিয়ে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা বিএনপি নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি নিউইয়র্কের স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও এ অভ্যর্থনায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর মোটরশোভাযাত্রা হোটেলের সামনে পৌঁছালে তিনি হাত নেড়ে উপস্থিতদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেবেন। এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে তাঁর প্রথম ভাষণ। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে।

জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী, ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এবারের অধিবেশনের প্রতিপাদ্য

চার দিনের নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিনে ইউএনজিএর উদ্বোধনী পর্বে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট এবং জলবায়ু ও ন্যায্য রূপান্তরবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। জাতিসংঘের সূচিতেও ২৩ সেপ্টেম্বর জলবায়ু পদক্ষেপ ও ন্যায্য রূপান্তরবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের উল্লেখ রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী ওই দিন এ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
একই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের বক্তব্য তুলে ধরবেন তিনি। এরপর বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচিও রয়েছে।

২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

সফরকালে বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ, জলবায়ু, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ তাঁর পরিবারের সঙ্গে এই বৈশ্বিক ফোরামের দীর্ঘ সম্পর্কের আরেকটি অধ্যায় তৈরি করবে।

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছিলেন। তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। ফলে তারেক রহমান ভাষণ দিলে তিনি হবেন পরিবারের তৃতীয় সদস্য যিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। BSS

এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ২০২৬ সালের ২ জুন সাধারণ পরিষদের ভোটে তিনি এ পদে নির্বাচিত হন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৮১তম অধিবেশনে প্রায় ১৩০ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করছে।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট: ১০:৩৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন।** ইস্তাম্বুলে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি শেষে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানিয়েছেন।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন জুবাইদা খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটরশোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ম্যানহাটনের হাইয়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিউইয়র্কে বিএনপির নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিমানবন্দর ও হোটেলসংলগ্ন এলাকায় জড়ো হন। তাঁদের হাতে ছিল ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন। বিভিন্ন স্লোগানের মধ্য দিয়ে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা বিএনপি নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি নিউইয়র্কের স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও এ অভ্যর্থনায় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর মোটরশোভাযাত্রা হোটেলের সামনে পৌঁছালে তিনি হাত নেড়ে উপস্থিতদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে ভাষণ দেবেন। এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতিসংঘে তাঁর প্রথম ভাষণ। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার সংস্কারের মতো বিষয় গুরুত্ব পাবে।

জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী, ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এবারের অধিবেশনের প্রতিপাদ্য

চার দিনের নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।

২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত বিশ্বনেতা ও তাঁদের জীবনসঙ্গীদের স্বাগত প্রাতরাশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। একই দিনে ইউএনজিএর উদ্বোধনী পর্বে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্ট এবং জলবায়ু ও ন্যায্য রূপান্তরবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। জাতিসংঘের সূচিতেও ২৩ সেপ্টেম্বর জলবায়ু পদক্ষেপ ও ন্যায্য রূপান্তরবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানের উল্লেখ রয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক সূচি অনুযায়ী ওই দিন এ বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
একই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের বক্তব্য তুলে ধরবেন তিনি। এরপর বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচিও রয়েছে।

২৫ সেপ্টেম্বর ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি।

সফরকালে বাংলাদেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ, জলবায়ু, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ তাঁর পরিবারের সঙ্গে এই বৈশ্বিক ফোরামের দীর্ঘ সম্পর্কের আরেকটি অধ্যায় তৈরি করবে।

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বাবা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনে বক্তব্য দিয়েছিলেন। তাঁর মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ১৯৯৩ সালে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন। ফলে তারেক রহমান ভাষণ দিলে তিনি হবেন পরিবারের তৃতীয় সদস্য যিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। BSS

এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ২০২৬ সালের ২ জুন সাধারণ পরিষদের ভোটে তিনি এ পদে নির্বাচিত হন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৮১তম অধিবেশনে প্রায় ১৩০ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান উচ্চপর্যায়ের সপ্তাহে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি বিভিন্ন রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করছে।