০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে নাকের হাড় অপারেশন করতে গিয়ে রোগীর মৃত্যু:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৭

যশোরের ‘স্ক্যান হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ নাকের হাড় বাঁকা (ডিএনএস) অপারেশনের পর ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবুল হোসেন (৪৫) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসা ও নার্সের অবহেলায় এই মৃত্যু হয়েছে। মৃত আবুল হোসেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ধান্যহাড়ীয়া গ্রামের আবু ছিদ্দিকের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় ১৫ হাজার টাকার চুক্তিতে আবুল হোসেনকে অপারেশনের জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ৮টার দিকে অপারেশন শেষ করে তাকে যখন ওয়ার্ডের বেডে দেওয়া হয়, তখন তার গলা দিয়ে রক্ত ও থুতু বের হতে থাকে। এসময় আতঙ্কিত স্বজনরা নার্সকে ডাকলে তিনি প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দুটি ইনজেকশন পুশ করেন। অভিযোগ উঠেছে, ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই রোগী অস্বাভাবিক ছটফট শুরু করেন এবং অক্সিজেন দেওয়ার মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্ত্রী ফুলমতি ও চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে লাশ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, দায় এড়াতে তারা রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে চিকিৎসার প্রেসক্রিপশনসহ সব ধরনের নথিপত্র ও কাগজপত্র কেড়ে নেয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হাসপাতালের মালিক বিপু জানান, অপারেশনটি যশোর সদরের একজন চিকিৎসক সম্পন্ন করেছিলেন। রোগীর মৃত্যুটি ‘অস্বাভাবিক’ উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সম্ভবত হার্ট অ্যাটাকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন।
তবে সুস্থ মানুষ সামান্য অপারেশনে কেন মারা গেলেন এবং কেনই বা কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হলো, তা নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

যশোরে নাকের হাড় অপারেশন করতে গিয়ে রোগীর মৃত্যু:

আপডেট: ১১:০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

যশোরের ‘স্ক্যান হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ নাকের হাড় বাঁকা (ডিএনএস) অপারেশনের পর ইনজেকশন পুশ করার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবুল হোসেন (৪৫) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, ভুল চিকিৎসা ও নার্সের অবহেলায় এই মৃত্যু হয়েছে। মৃত আবুল হোসেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ধান্যহাড়ীয়া গ্রামের আবু ছিদ্দিকের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় ১৫ হাজার টাকার চুক্তিতে আবুল হোসেনকে অপারেশনের জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাত ৮টার দিকে অপারেশন শেষ করে তাকে যখন ওয়ার্ডের বেডে দেওয়া হয়, তখন তার গলা দিয়ে রক্ত ও থুতু বের হতে থাকে। এসময় আতঙ্কিত স্বজনরা নার্সকে ডাকলে তিনি প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী দুটি ইনজেকশন পুশ করেন। অভিযোগ উঠেছে, ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই রোগী অস্বাভাবিক ছটফট শুরু করেন এবং অক্সিজেন দেওয়ার মাত্র ১৫ মিনিটের মাথায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্ত্রী ফুলমতি ও চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে লাশ বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, দায় এড়াতে তারা রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে চিকিৎসার প্রেসক্রিপশনসহ সব ধরনের নথিপত্র ও কাগজপত্র কেড়ে নেয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে হাসপাতালের মালিক বিপু জানান, অপারেশনটি যশোর সদরের একজন চিকিৎসক সম্পন্ন করেছিলেন। রোগীর মৃত্যুটি ‘অস্বাভাবিক’ উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সম্ভবত হার্ট অ্যাটাকের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন।
তবে সুস্থ মানুষ সামান্য অপারেশনে কেন মারা গেলেন এবং কেনই বা কাগজপত্র কেড়ে নেওয়া হলো, তা নিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।