রাজধানীর অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্বে প্রাণ হারিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বির। এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উঠে এসেছে আন্ডারওয়ার্ল্ডের প্রবাসী সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে বিনাশ দাদা-এর নাম। ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশে বসেই তিনি এই কিলিং মিশনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল শ্যুটার রহিমকে গতকাল নরসিংদী থেকে দুটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করল ডিবি।
১. রহিম (মূল শ্যুটার)
২. জিন্নাত (শ্যুটার, আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন)
৩. বিল্লাল (হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী)
৪. আব্দুল কাদের
৫. মো. রিয়াজ
তদন্তে জানা গেছে, কারওয়ান বাজারে প্রকাশ্যে ও গোপনে চাঁদাবাজির জন্য অন্তত ৮ থেকে ৯টি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এই চাঁদার টাকা ভাগাভাগি এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
* নির্দেশদাতা: প্রবাসী সন্ত্রাসী দিলীপ ওরফে বিনাশ।
* ঘটনার দিন: গত ৭ জানুয়ারি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউয়ের পাশের একটি গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
* মামলা: ঘটনার পরদিন নিহতের স্ত্রী তেজগাঁও থানায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
> “এসব অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক আদর্শ নেই। চাঁদাবাজির উদ্দেশ্যেই তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। তাদের মূল পরিচয় তারা চাঁদাবাজ।”
> — মো. শফিকুল ইসলাম, ডিবি প্রধান
ডিবি প্রধান জানান, কারওয়ান বাজারের এই সিন্ডিকেটগুলো ভেঙে দিতে এবং চাঁদাবাজি বন্ধে দ্রুত বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে। পলাতক অন্যান্য সহযোগীদের ধরতে ডিবি পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।





















