০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় মৎস্য নজরদারি বিমান বিধ্বস্ত: ১০ আরোহীর সবার মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিখোঁজ ১০ আরোহীর সবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা (বাসারনাস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্ট (আইএটি) পরিচালিত এটিআর ৪২-৫০০ মডেলের একটি টার্বোপ্রপ বিমান রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি দেশটির সামুদ্রিক ও মৎস্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চার্টারে মৎস্যসম্পদ পর্যবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত ছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার সময় বিমানে ৭ জন ক্রু এবং মন্ত্রণালয়ের ৩ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্ধার অভিযান ও মরদেহ শনাক্তকরণ
দক্ষিণ সুলাওয়েসি উদ্ধার সংস্থার কর্মকর্তা আন্দি সুলতান এক ভিডিও বার্তায় জানান, শুক্রবার ভোরে সবশেষ নবম ও দশম মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের সবার পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মারোস অঞ্চলের বুলুসারাউং পর্বতের দুর্গম এলাকা থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কমিটি (কেএনকেটি)। সংস্থাটির প্রধান জানিয়েছেন:
বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।
যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি বৈরী আবহাওয়া—ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ায় এটিআর ৪২ মডেলের বিমানের ক্ষেত্রে এটি গত এক দশকের মধ্যে প্রথম বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। তবে দেশটিতে এর আগেও বেশ কিছু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে:

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

ইন্দোনেশিয়ায় মৎস্য নজরদারি বিমান বিধ্বস্ত: ১০ আরোহীর সবার মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ০৫:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিখোঁজ ১০ আরোহীর সবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দেশটির জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা (বাসারনাস) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্ট (আইএটি) পরিচালিত এটিআর ৪২-৫০০ মডেলের একটি টার্বোপ্রপ বিমান রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটি দেশটির সামুদ্রিক ও মৎস্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চার্টারে মৎস্যসম্পদ পর্যবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত ছিল। বিধ্বস্ত হওয়ার সময় বিমানে ৭ জন ক্রু এবং মন্ত্রণালয়ের ৩ জন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্ধার অভিযান ও মরদেহ শনাক্তকরণ
দক্ষিণ সুলাওয়েসি উদ্ধার সংস্থার কর্মকর্তা আন্দি সুলতান এক ভিডিও বার্তায় জানান, শুক্রবার ভোরে সবশেষ নবম ও দশম মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের সবার পরিচয় ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত মারোস অঞ্চলের বুলুসারাউং পর্বতের দুর্গম এলাকা থেকে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ও মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কমিটি (কেএনকেটি)। সংস্থাটির প্রধান জানিয়েছেন:
বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।
যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি বৈরী আবহাওয়া—ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইন্দোনেশিয়ায় এটিআর ৪২ মডেলের বিমানের ক্ষেত্রে এটি গত এক দশকের মধ্যে প্রথম বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। তবে দেশটিতে এর আগেও বেশ কিছু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে: