ঝিকরগাছা যশোরের ঝিকরগাছায় সরকারি ডাকবাংলোর জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একটি মাদ্রাসার বিরুদ্ধে। জেলা পরিষদের জমিতে এই নির্মাণ কাজ চললেও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের বক্তব্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, মূল শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাকবাংলো নির্মাণ না করে দূরবর্তী এলাকায় প্রস্তাব করায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
ঝিকরগাছা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মহিবুল ইসলাম দাবি করেছেন, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে অনুমতি প্রদানকারী কর্মকর্তার নাম তিনি স্পষ্ট করতে পারেননি।
বিষয়টি নিয়ে মাদ্রাসার বর্তমান সভাপতি ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ জানান, সাংবাদিকদের মাধ্যমে তিনি বিষয়টি অবগত হয়েছেন। তিনি ইতোমধ্যে অধ্যক্ষের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছেন এবং দাবি করেছেন যে এর আগে তিনি বিষয়টি জানতেন না।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকারি ডাকবাংলোর জমি দখল করে ইতিপূর্বে যেভাবে হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দোকানপাট ভাড়া দেওয়া হয়েছে, ঠিক একইভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে নতুন ভবন নির্মাণ করছে।
ডাকবাংলোর স্থান পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ
সূত্রমতে, ডাকবাংলোর নিজস্ব ৯৩ শতক জমি থাকা সত্ত্বেও সেখানে আধুনিক বাংলো নির্মাণ করা হচ্ছে না। উল্টো মূল সড়ক থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে কাটাখাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে ডাকবাংলো করার প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সম্প্রতি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান ঝিকরগাছায় এক সুধী সমাবেশে যোগ দিলে স্থানীয়রা বিষয়টি তাকে অবগত করেন। এর প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের একটি প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে বিতর্কিত স্থান দুটি পরিদর্শন করেছেন।
এদিকে, ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রনি খাতুন জানিয়েছেন, পুরাতন ডাকবাংলোটির সংস্কার কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।





















